ads

সোমবার , ২৪ মার্চ ২০১৪ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চতুর্থ দফা উপজেলা নির্বাচনে আ’লীগ ৫৫, বিএনপি ২৩, জামায়াত ৫, অন্যান্য ৫

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মার্চ ২৪, ২০১৪ ৬:৫৭ অপরাহ্ণ

Upzila 2শ্যামলবাংলা ডেস্ক : উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩ দফায় পিছিয়ে থাকলেও চতুর্থ দফায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বেশি সংখ্যক উপজেলায় জয়ী হয়েছেন। চতুর্থ দফার এ নির্বাচনে ৯১টি উপজেলার মধ্যে ৩টির ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। ৮৮ উপজেলার ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থীসহ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৫৫ জন, বিএনপির ২৩ জন, জামায়াতের ৫ জন এবং অন্যান্য দলের ও স্বতন্ত্র হিসেবে ৫ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

আওয়ামী লীগ : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রেজাউল করিম রাসেল নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৩৭৩ ভোট।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী ৪২ হাজার ৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ৩৩ হাজার ২৩১ ভোট পেয়েছেন।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আতর আলী নির্বাচিত হয়েছেন। মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে তিনি ১৬ হাজার ৩১১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মিসবাহ উদ্দিন ভ্ইূঁয়া কাপ-পিরিচ নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪১৯ ভোট।
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মুশফিউল আলম আজাদ ১৯ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের আবুল হাশেম মোল্লা মাসুম দোয়াত কলম নিয়ে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৯ ভোট।
পটুয়াখালী সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী তানিমুজ্জামান মনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শাহাদাত হোসন মৃধাকে ৪০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। মনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৬২৯ ভোট। শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন মাত্র ১৯ হাজার ২৯৪ ভোট।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামসুজ্জামান লিকন। তিনি পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুস সাত্তার হাওলাদার পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৪৭১ ভোট।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খান মো. আবু বকর দুই হাজার একশ ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১৬ হাজার ৩১৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শাহবুদ্দিন নান্নু।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মুজিবুর রহমান এক লাখ ১২ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী তসলিম তালুকদারকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। মুজিবুর রহমান পেয়েছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৭৭০ ভোট, আর তসলিম তালুকদার পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩৬০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এটিএম মুনিরুজ্জামান সরকার ৫৯ হাজার ২২১ ভোট পেয়েছে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম এ হান্নান পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৫১৬ ভোট।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬১ হাজার ৭২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী খলিলুর রহমান পেয়েছেন মাত্র ১৫ হাজার ৬৩৩ ভোট।
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুস সালাম (দোয়াত কলম) ২২ হাজার ৩৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনী (ঘোড়া) পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৩৩ ভোট।
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ফারুক আহমেদ খান জয়ী হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি ৫৭ হাজার ৪১২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আজিজুল আহসান ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬১৬ ভোট।
ঝালকাঠি সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সুলতান হোসেন খান পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২ শত ৫৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সরদার এনামুল হক এলিন পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৫৭ ভোট।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইউনুস লস্কর চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৭ হাজার নয়শত ৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান খান হেলাল পেয়েছেন ৫ হাজার ৯২১ ভোট।
ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান মনির ৪২ হাজার ৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নাসিম উদ্দিন আকন পেয়েছেন ১৯ হাজার ৮৪ ভোট।
ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ফারুক শিকদার ৩৬ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নিরণ শিকদার পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৮১ ভোট।
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত জাকিরুল ইসলাম সান্টু (ঘোড়া) ৮৭ হাজার ৮৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মকলেসুর রহমান মণ্ডল (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৮১১ ভোট।
যশোর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জেলা বিএনপিরসহ সভাপতি গোলাম রেজা দুলু আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৯৩৩ ভোট।
যশোরের কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এইচএম আমির হোসেন পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মাও. আব্দুস সামাদ দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১৫২ ভোট।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সন্তোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি মুজিবর রহমান শামীম নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৪৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অশোক কুমার বড়াল (মটর সাইকেল) পেয়েছেন ২০ হাজার ১৮১ ভোট।
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহিনুল আলম ছানা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি সমর্থিত শেখ হাফিজুর রহমান (মটর সাইকেল) পেয়েছেন ২২ হাজার ৭১০ ভোট।
বরিশালের উজিরপুরে কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হাফিজুর রহমান ৭৯ হাজার ৮৫৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটমত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আ. মাজেদ তালুকদার দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ২১০ ভোট।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগের গোলাম মর্তুজা খান আনারস প্রতীকে ৬৬ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটমত প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী যতীন্দ্রনাথ মিস্ত্রি দোয়াত কলম মার্কায় পেয়েছেন ৪ হাজার ৩০৪ ভোট।
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আশরাফুল আলম খান (চিংড়ি মাছ) ৪০ হাজার ৬৮৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১৯ দল সমর্থিত বিএনপি নেতা আমির এজাজ খান (আনারস) পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৪৭ ভোট।
খুলনার দাকোপে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ আবুল হোসেন ৩৭ হাজার ২৮৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দোয়াত-কলম নিয়ে অচিন্ত কুমার মন্ডল পেয়েছেন ২১ হাজার ৫৫২ ভোট।
খুলনার তেরখাদায় আওয়ামী লীগের সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু (দোয়াত-কলম) ৪৭ হাজার ৩৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত এসএম মেজবাউল আলম (আনারস) পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৮২ ভোট।
খুলনার রূপসায় টেলিফোন মার্কা নিয়ে ৪২ হাজার ২২৬ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কামাল উদ্দিন বাদশা বেসরকারি ফলাফলে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১৯ দল সমর্থিত এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪০৭ ভোট।
খুলনার ফুলতলায় আওয়ামী লীগের শেখ আকরাম হোসেন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩৪ হাজার ৬৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত সরদার আলাউদ্দিন মিঠু আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ হাজার ১৪৫ ভোট।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছুর রহমান মিন্টু ৫৬ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৫৮২ ভোট।
টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম (দোয়াত কলম) ৪৬ হাজার ৯৯৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা (মোটর-সাইকেল) পেয়েছেন ২৮হাজার ৩৪৬ ভোট।
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু (মোটর সাইকেল) ৮৯ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে বেরসকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপির বিদ্রোহী শুকুর মাহমুদ (চিংড়ি) পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৩৬০ ভোট।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো.আতাউল হক। তিনি ৪৮ হাজার ৯১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বদরুছ মেহের পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮৮১ ভোট।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানসহ তিন পদে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। চেয়ারম্যান পদে তৌহিদুল আলম চৌধুরী বাবু ৮৯ হাজার ২৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত সরওয়ার আলমগীর পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২৬৮ ভোট।
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় ৮৩টি কেন্দ্রের ঘোষিত বেসরকারী ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এ কে এম এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল দোয়াত-কলম প্রতীকে এক লক্ষ ৮ হাজার ৭৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত আনোয়ার হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৫৩ ভোট।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী শাহ। তিনি পেয়েছেন ৫৭ হাজার ২২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কুতুব উদ্দিন বাহার পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৫৭ ভোট।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী তৌহিদুল হক চৌধুরী(দোয়াত কলম) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ১৩২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জালাল উদ্দিন আহমেদ (কাপ-পিরিচ) পেয়েছেন ২৭ হাজার ৫৩২ ভোট।
পিরোজপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মুজিবুর রহমান খালেক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৯৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এলিজা জামান পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৩ ভোট।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. আশরাফুর রহমান চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৮শ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রুহুল আমীন দুলাল পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯শ ভোট।
উপজেলা নির্বাচনে বরিশালের বানরীপাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩৮টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম ফারুক ৭০ হাজার ৯৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটমত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহ আলম মিঞা পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৯ ভোট। বানারীপাড়ায় ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫শ’ ৮৪ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৭৬ হাজার ৩৪০ জন ভোটার।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আব্দুল ওহাব আইনউদ্দিন (ঘোড়া) ৫৭৭৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম বিএনপির প্রার্থী শহিদুজ্জামান কাকন (আনারস) ৫২ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস শাহিদ ভূঁইয়া (আনারস) ৩৭ হাজার ০৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপি সমর্থিত জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর (ঘোড়া) ১৮৬৯৬ ভোট পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের কামরুল হাসান ৩৩ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির এসএম কামাল হোসেন ২৮ হাজার ৩৭৪ ভোট পেয়েছেন।
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সরোয়ার আলম খান আবু ৮০ হাজার ৪০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জাকির হোসের সরকার পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৮২৮ ভোট।
সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পুনর্র্নিবাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব আশফাক আহমদ। কাপ পিরিচ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪৫ হাজার ১৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কাহের শামীম আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯১ ভোট।
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদ স্বপন আনারস প্রতীক ৮০ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম মুকুল পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৪১ ভোট।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ফরহাদ হোসেন চৌধুরী দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ১৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী জুলফিকার হোসেন আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৪৯ ভোট।
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রণধীর কুমার দেব চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৪৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আতাউর রহমান লাল পেয়েছেন ২৫ হাজার ৫১৫ ভোট।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক রফিকুর রহমান আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত শামীম আহমদ চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৪২ হাজার ৯০২ ভোট পেয়েছেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ফিরোজ পাল মামুন হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে ৭৬ হাজার ২৮৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম সরকার দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ৬৯ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়েছেন।
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত জেড এম কামরুল আনাম টেলিফোন প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াত সমর্থিত একেএম নাজেম ওসমানী দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ২১ ভোট।
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় আওয়ামী লীগের একরামুল হক একরাম কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৩৩ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনার আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ৫১১ ভোট।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদ উল্ল্যাহ জসিম নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম মোস্তফা মিন্টু দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৪৪৩ ভোট।
ভোলার মনপুরায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেলিনা আক্তার চৌধুরী আনারস প্রতীক নিয়ে ৩১ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সামসুদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ হাজার ২ ভোট।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম খান কাপ-পিরিচ নিয়ে ৫৭ হাজার ৬০৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মামুনুর রশিদ বাবুল দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৩৭ ভোট।
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী খলিলুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। খলিলুর রহমান দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জহুরুল ইসলাম বকুল ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮ হাজার ২২৩ ভোট।
বিএনপি : চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রাথী দেলোয়ার হোসেন ৪৪ হাজার ৫১২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত হুমায়ূন কবির পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৮৩৪ ভোট।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী খুরশিদ আলম মতি (আনারস) ৪৬ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত মুশফিকুর রহমান বাবুল (দোয়াত কলম) ৩৪ হাজার ৪১২ ভোট পেয়েছেন।
নড়াইল সদর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৫৮টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৭৭৯ ভোট।
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী একরামুল আলম ( ৮১,৬৯৫ ) ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৯৯২ ভোট।
কুমিল্লার বরুড়ায় মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবদুল খালেক চৌধুরী ৫২ হাজার ৫৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৫৭৪ ভোট।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিজান জয়ী হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে মিজানুর রহমান ৪৩ হাজার ২৬৯ ভোট পেয়ে পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মুহিবুর রহমান তরফদার দোয়াত-কলম মার্কায় পেয়েছেন ৩১ হাজার ১৮৮ ভোট।
রাজশাহীর পুঠিয়ায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম জুম্মা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৬৩ ভোট। তার নিকটমতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আহসানুল হক মাসুদ (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৫৯১ ভোট।
রাজশাহীর তানোরে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এমরান আলী মোল্লা (মোটরসাইকেল) ৫০ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত গোলাম রাব্বানী (আনারস) পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৮৭৭ ভোট।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল মোতালেব খান দোয়াত কলম নিয়ে ৩২ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম আহমদ মুরাদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২৫ ভোট।
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণেন্দ্র চন্দ্র সরকার ২০ হাজার ৮২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের প্রার্থী চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পেয়েছেন ১৭হাজার ৫৯৪ ভোট ।
ঢাকার ধামরাইয়ে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তমিজ উদ্দিন বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তমিজ উদ্দিন পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মো. গোলাম কবির আনারশ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৪ হাজার ২৭৪ ভোট।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জিয়াউল ইসলাম জিয়া আনারস প্রতীক নিয়ে ৫৯ হাজার ৭২৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী ইকরামুল হক মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৪১ ভোট।
বগুড়ার গাবতলী উপজেলা পরিষদ র্নিবাচনে ৮১,২৪১ ভোট পেয়ে বিএনপি সমর্থিত গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ মিল্টন (আনারস) সরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৪৫,২৫৭ ভোট।
নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এমএ হারেছ উদ্দিন বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি হারেছ উদ্দিন ঘোড়া প্রতীকে ২৪ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী রফিকুল ইসলাম আকন্দ দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৪৬ ভোট।
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবদুস সামাদ দুলাল ঘোড়া প্রতীকে ৪৩ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট মুলতান উদ্দিন কাপ-পিরিচ নিয়ে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ১৪১ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী ইঞ্জিনিয়ার মুসলেম উদ্দিন ২৪ হাজার ২২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আবুল কাশেম ভূইয়া ভোট পেয়েছেন ২১ হাজার ১৮৯ ভোট।
কক্সবাজারের রামু উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আহমেদুল হক চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাছান পেয়েছেন ২১২১২ ভোট।
সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আশিক চৌধুরী জয়ী হযেছেন। ৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে ৬ হাজার ৫৭৭ ভোটের ব্যবধানে তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নিজাম উদ্দিন আল মিজানকে পরাজিত করেছেন। মোটর সাইকেল প্রতীকে আশিক চৌধুরী ২৭ হাজার ৪০ ভোট পেয়েছেন। নিজাম উদ্দিন আল মিজান ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৭৫ ভোট।
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলার ৪৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুন পেয়েছেন ২২ হাজার ১০৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের হজরত আলী মাস্টার ঘোড়া প্রতীকে ১৬ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়েছেন।
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাভোকেট এম এম মজিদ বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত রবিউল ইসলাম পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৭২৯ ভোট।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোকলেছুর রহমান রিপন বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২১৩ ভোট। তার নিকটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোখলেছুর রহমান লেবু (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯০৯ ভোট।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৮২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভিপি মোহাম্মদ উল্যাহ দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ৩৯ হাজার ৫২০ ভোট পেয়েছেন।
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. শাহজাহান কবির দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ৭৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এবিএম গোলাম কবির আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৬২ ভোট।
জামায়াত : পিরোজপুরের জিয়ানগরে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ২১ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল খালেক গাজী আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৩২ ভোট। মাসুদ সাঈদী একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে।
বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১৯ দল সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী তোফায়েল আহমদ নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৮২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. শফিউল্লাহ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৫ ভোট।
জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন ১৯ দলীয় প্রার্থী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৭৪ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৫৮৭ ভোট।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন জামায়াত সমর্থিত মো.জসীম উদ্দিন। ১১১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১০টির কেন্দ্রের ফলাফলে মো. জসীম উদ্দিন ৬৮ হাজার ৬২৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নূরুল আবছার চৌধুরী পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৪০ ভোট।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (আনারস) বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৬ হাজার ৩৪২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৯০ ভোট।

স্বতন্ত্র ও অন্যান্য : রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সমর্থিত প্রার্থী উদজয় চাকমা বিজয়ী হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ২৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সুরেশ কুমার চাকমা কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৪৯ ভোট।
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন (মোটরসাইকেল) ৪৬৬০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আরিফুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৩৯৬৪০ ভোট পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাঞ্চন (দোয়াত কলম) ১৭৫৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র প্রাথী শাহেদুজ্জামান মোস্তফা (টেলিফোন) ১৪৫১২ ভোট পেয়েছেন।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ আহমদুল হক বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম কাপ পিরিচ প্রতিক নিয়ে ৩৬ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী মো. মাহিবুল হোসেন দোয়ত কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৩ ভোট।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!