ads

সোমবার , ২৪ মার্চ ২০১৪ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আত্রাইয়ের ছোট নদী এখন ফসলের মাঠ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ২৪, ২০১৪ ৮:০৭ অপরাহ্ণ

AAAAআত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভেতর দিয়ে বয়ে চলা ছোট নদী এখন ফসলের মাঠে পরিণত হয়েছে। দিনের পর দিন পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যাওয়ায় অতি দ্রুতই নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। শুকনো নদীতে চাষ হচ্ছে গম, সরিষা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও মিষ্টি আলুসহ বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি।

Shamol Bangla Ads

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, নদীর যে সকল স্থান আগেই শুকিয়ে গেছে সে সকল স্থানে ফসলের চাষ হচ্ছে পুরোদমে। কয়েক বছর আগে নদীতে প্রচুর পরিমানে বালি ছিল কিন্তু এখন পলি পরে কিছু কিছু স্থানে বালি না থাকায় নদীর মাঝে ইরি-বোরোসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হচ্ছে। তবে ফসল বাঁচানো নিয়ে শংকায় আছেন তারা। নদীর আশে পাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ৫-৬ বছর আগে নদীর পানি দিয়ে ফসল ফলানো হতো কিন্তু এখন নদীতে পানি না থাকায় পানির অভাবে এই সব জমিতে ধানের চাষ সম্ভব হচ্ছে না।

কয়েকজন কৃষক জানায়, আমরা নদীর পানি দিয়ে ধানের চাষ করতাম কিন্তু এখন সম্ভব হচ্ছে না। কারন ধান তোলার আগেই নদীর পানি একেবারে শুকিয়ে যাচ্ছে শেষের দিকে আর পানি পাওয়া যাচ্ছে না। সাহেবগঞ্জ গ্রামের কৃষক শ্যামলসহ কয়েক জন জানান, এখন নদীর পানি না থাকায় স্যালো মেশিন দ্বারা ধান চাষ করতে হচ্ছে এতে খরচ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে কয়েক গুন। নদীতে পানি না থাকায় ধানক্ষেতের পানিও খুব তারাতারি শুকিয়ে যায় ও ক্ষেত্রে জমিতে বেশি পানি দিতে হয়।

Shamol Bangla Ads

নদীর আশেপাশের গ্রামগুলোতে গ্রীষ্মকালে পানি সংকট দেখা দেয়। নদীর পানি তারাতারি শুকিয়ে যাওয়ায় পানির গভীরতা অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে এতে করে সকল নলকুপে পানি উঠা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
বিপ্রবোয়ালিয়া গ্রামের শিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেন জানান, ৪ বছর আগে বাড়িতে পানির পাম্প বসিয়েছি। প্রথম ২ বছর  গ্রীম্মকালে  পানি কম উঠত কিন্তু গত বছর চৈত্র মাস থেকেই পানি উঠা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এবার এখন থেকেই একটু করে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তিনি আরো জানান, নদী খনন করে গভীরতা বাড়ালে কিছুটা হলেও এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।

খনজোর গ্রামের কয়েকজন জেলে বলেন, বছরের বেশীভাগ সময়ই নদীতে পানি না থাকায় আমরা বছরে ৬ মাস মাছ ধরী ৬ মাস মানুষের বাড়ীতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। যারা কাজ করতে পারে না, তারা অনেকই পেশা বদল করে অন্য পেশায় চলে গেছে। অনেক পরিবার খেয়ে না খেয়ে অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছেন।
সচেতন মহলের দাবী, সরকারের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত নদী খনন করে, নদীতে দীর্ঘমেয়াদী পানি সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা দরকার।

Need Ads
error: কপি হবে না!