ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার বিছিন্ন উপজেলা মনপুরা দ্বীপে আমন ধান কাটার পরেই রবিশস্যর মৌসুম শুরু হয়। রবিশস্যর মৌসুমে কৃষকেরা মূলত মুগ ডাল,মরিচ, খেসারী,তিসি, সরিষা, বাদাম,ও সবজি চাষ করলেও গত দুই বছর জিরা চাষ করে বেশ সাফল্য পাওয়ায় এ বছর রবি মৌসুমে জিরা চাষে আগ্রহ তাদের মাঝে যথেষ্ট লক্ষ্য করা গেছে । পরীক্ষামূলকভাবে জিরা চাষ করে সফল হয়েছেন চাষি মনির, লতিফ সহ আরো অনেকের ষাথে আলাপ করে জানা যায়, বাজারে যে জিরা পাওয়া যায় সেই জিরা বীজই শুকনা অবস্থায় বপন করে এই জিরা চাষ করা সম্ভব। জিরা ভিজানো যাবে না এবং পরিমিত জৈব ও রাসানিক সার প্রয়োগ করে মাটি ভালোভাবে গুঁড়া করে জিরা বুনতে হবে। প্রতি ১ শতাংশে জমিতে টিএসপি ৬ শত গ্রাম, এমওপি ৩শত গ্রাম এবং জৈব সার ৩শ গ্রাম দিতে হবে। জিরার বীজ বুনার পর মাটি ভালভাবে সমান করে মিশিয়ে দিতে হয় । বীজ বুনার পর চারার বয়স ১৮/২০ দিন হলে ১ বার ও ফুল আসার পর ১বার পানি দিতে হবে। ১০০/১১০দিনের মধ্যে কৃষক জিরার ফসল ঘরে তুলতে পারবে। ভোলার বিছিন্ন দ্বীপ মনপুরার ১০টির মতো স্পটে পরীক্ষামূলকভাবে জিরা চাষ করা হয়েছে । জিরা গুলোর মধ্যে সাদা জিরা, মিষ্টি জিরা, কালিজিরা ,ধনিয়া, পোস্তাদানাসহ সব ফসলই এই দ্বীপে চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে মনপুরা ইউনিয়নে ২টি, হাজির হাট ইউনিয়নে ৪টি , উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে ২টি , দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়নে ২টি স্থানে জিরার চাষ করা হয়েছে। ১ শতাংশ জমিতে জিরা চাষ করতে ২শত টাকা খরচ হয়। আর ১ শতাংশে জমিতে জিরা উৎপাদন করা যাবে দুই থেকে আড়াই কেজি। যার বাজার মূল্য ১ হাজার টাকা। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন ,জিরা চাষ করে অনেক চাষি স্বাবলম্বী হয়েছেন। জিরা চাষিদের কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতা করছে।




