মো.সুজন রানা, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) : বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে খেজুর গুড়ের ব্যাপক আমদানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তেমনি ক্রেতা-বিক্রেতাদের খেজুর গুড়ের কদর অনেক বেশি দেখা দিয়েছে। বগুড়া জেলার মধ্যে নন্দীগ্রাম উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামের বাড়ির পার্শ্বে, রাস্তায়, পুকুর পাড়সহ নানা জায়গায় বিপুল পরিমাণ খেজুর গাছ রয়েছে। এর পাশাপাশি অবস্থানে রয়েছে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলা। এ ছাড়াও নন্দীগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী কাহালু, শাজাহানপুর, শেরপুর, আদমদীঘি, দুপচাঁচিয়া ও রানীনগর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য খেজুর গাছ রয়েছে। শীতকালে ওইসব এলাকায় খেজুর গাছে রসের হাড়ি লাগানো হয়। খেজুর রস সংগ্রহকারীরা এখন রস সংগ্রহ করতে অনেক ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছে। প্রাচীণকাল থেকে সন্ধ্যার পুর্বে খেজুর গাছে হাড়ি লাগানো হয়। আবার সকাল বেলা খেজুর গাছ থেকে রসের হাড়ি নামানো হয়। ওই রস জ্বাল করে খেজুরের তরল ও পাটারীগুড় তৈরি করা হয়। খেজুর রসে ও খেজুর গুড়ের পিঠাপুলি পায়েস সহ নানা প্রকার খাবার খেতে বেশ মজালাগে। তাই এ সময় খেজুরের তরল ও পাটারীগুড়ের অনেক কদর রয়েছে। বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দারহাট, নন্দীগ্রামহাট, ওমরপুরহাট, রনবাঘাহাট, ধুন্দারহাট, মুরাদপুরহাট, ভাটরাহাট, কুমিড়া পন্ডিতপুকুরহাট, গোয়ালগাড়ীহাট, গুলিয়াহাট ও কড়ইহাটসহ অন্যান্য হাটে খেজুরের তরল ও পাটারীগুড় পাওয়া যায়। কুন্দারহাট, নন্দীগ্রামহাট, ওমরপুরহাট ও রণবাঘাহাট বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় ওই ৪টি হাটে সবচেয়ে বেশি খেজুরের তরল ও পাটারী গুড় আমদানি এবং ক্রয়-বিক্রয় বেশি হয়। সকালে ওই ৪টি হাটে গুড় ক্রেতাদের অনেক ভীড় জমে যায়। ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে খেজুরগুড় বিক্রয় হয়। এখন প্রতি হাটে খেজুরের তরল ও পাটারি গুর হাটিতে অনেক ভীড় দেখা যাচ্ছে।




