ads

বৃহস্পতিবার , ২৩ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সৈয়দপুরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ২৩, ২০১৪ ২:১৬ অপরাহ্ণ

Nilphamari__District_Map_Bangladesh-3নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুরের ১নং কামারপুকুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্যের বিরুদ্ধে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) ৬টি জব কার্ডের টাকা, নলকূপ স্থাপন, ইউ ড্রেন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীরা এসব ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগে জানা যায়, ওই ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল খালেক শুকারু নিজের নামসহ ভুয়া নাম ও ছবি ব্যবহার করে ৬টি অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির জব কার্ডের টাকা আত্মসাত করে আসছেন। প্রতিটি কার্ডের অনুকুলে দৈনিক ২০০ টাকা হারে ৪০ দিনের মজুরি নিয়ে প্রায় ৪৮ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন। কার্ড নং- ২৫৭ উপকারভোগি হিসেবে মেম্বর আব্দুল খালেক, কার্ড নং-২৫৮ ১ম স্ত্রী মোছা. ফাতেমা, কার্ড নং-২২৮ চতুর্থ স্ত্রীর ছবি লাগিয়ে মোছা. তাহমিনা নাম ব্যবহার, কার্ড নং- ২৬২ ভিজিডি উপকারভোগি আয়মেনা বেগমকে জব কার্ড প্রদান এবং স্বামীর নামের ছেলেকে স্বামী বানানো, কার্ড ং নং-২৩৫ মো. শহিদুলের মজুরি ভাগাভাগি, কার্ড নং- ২৫৯ কিসামত কামারপুকুরের মোখলেছুর রহমানের ছবি লাগিয়ে আতিকুল নাম ব্যবহার করে টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। এছাড়া বাগডোকরা মক্তবের বরাদ্দকৃত তারা পাম্পের হেড না বসিয়ে আত্মসাত করা হয়। বাগডোকরা কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য ইউড্রেন নির্মাণের জন্য ৬২ হাজার ৮শ’ টাকা বরাদ্দ করা হলেও সরকারি সিডিউল ও নকশা অনুয়ায়ি তৈরি না করে বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্মিত ড্রেনটি জনগণের কোন উপকারে আসছে না। ওয়ার্ড সদস্য ও মাইক প্রচারক আব্দুল খালেক শুকারুর বর্তমানে চারজন স্ত্রী থাকলেও তার নিজস্ব কোন ভিটেমাটি ছিল না কিন্ত এর মধ্যে ওই ইউপি সদস্য ৬ শতক জমি কিনে চারতলা ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ওয়ার্ড সদস্যের সাথে যোগাযোগ করলে অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেন। এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক, জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!