মোঃ জাফর উলাহঃ কলমাকান্দা(নেত্রকোণা) সংবাদদাতাঃ জেলার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ কাঞ্চন সরকার কর্মস্থলে যোগদানের পর হইতেই কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যাতি রেখেই অনুপস্থিত থেকে বিশেষ কৌশলে সরকারী বেতন ভাতা সহ সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা ভোগ করে যাচ্ছেন। উক্ত মেডিকেল অফিসার নিজ কর্মস্থলে গড় হাজির থাকলেও নিয়মিত ভাবে কলমাকান্দা বাজারে জনসেবা নার্সিং ক্লিনিক সহ বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কতিপয় উপজেলায় প্রাইভেট ক্লিনিকে মোটা অংকের ফিস নিয়ে বছর ব্যাপি ভ্রাম্যমান চিকিৎসা ব্যবসা চালিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
অপরদিকে কলমাকান্দা হাসপাতালে গাইনী ও অবস কনসাল্টটেন্ট না থাকায় কলমাকান্দা উপজেলা ৮টি ও পাশ্ববতী সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর থানার ৪টি ইউনিয়ন বাসীর একমাত্র চিকিৎসা সেবার জন্য কলমাকান্দা হাসপাতাল। অথচ হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা না পেয়ে চরম দূর্ভোগ ও হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে। প্রসুতি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বললেই চলে। যার ফলে অনেক রোগী জরুরী চিকিৎসা সেবা না পেয়ে মৃত্যুবরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সাংবাদিকগন একাধিক বার সিভিল সার্জন নেত্রকোণা ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলেও রহস্যজনক কারনে স্বাস্থ্য বিভাগ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। স্থানীয় জনসেবা নার্সিং ক্লিনিকে ডাঃ কাঞ্চন সরকার কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি হেসে হেসে বলেন- এদেশে সবকিছুই সম্ভব। তিনি স্থানীয় ও জেলা কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই সরকারী চাকুরীর পাশাপাশি নিয়মিত প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলাবাসীর প্রশ্ন একজন দায়িত্বশীল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সরকারী চাকুরী রেখে কোন অদৃশ্যের খুঁটির জোরে লাগাতার গড় হাজির রয়েছেন ? এ ব্যাপারে প্রতিকার দাবি করে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি, কলমাকান্দা ইউনিটের সভাপতি আব্দুর রশিদ আকন্দ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ এর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি। যার ফলে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভূক্ত ভোগীরা।




