স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য, কৃষি, মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন তথাকথিত ১৮ দলীয় জোটের নির্বাচন প্রতিরোধের আহবান জনগণ প্রত্যাখান করে তার দাতভাঙ্গা জবাব দিয়েছে। বিরোধী দলের সব ধরনের ষড়যন্ত্র, ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড, নারকীয় সহিংসতা এবং হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। এর মধ্য দিয়ে একদিকে বিরোধী দলের পরাজয় এবং অন্যদিকে গণতন্ত্রের, জনগণের ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিজয় হয়েছে। তিনি ৬ জানুয়ারী সোমবার দুপুরে শেরপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তার বেসরকারী ফলাফল গ্রহণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওই কথা বলেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরী কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে উল্লেখ করে দেশবাসী, ভোটার, প্রশাসন, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমরা বহু চেষ্টা করেছি বিরোধী দলকে নির্বাচনে আনতে। কিন্তু জামায়াত নির্বাচন করতে না পারায় বিএনপিও নির্বাচনে আসেনি। নির্বাচনে না এসে তারা দেশ ও জনগণের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিরোধী দল নিয়ে নতুন সরকারের করণীয় কী হবে- এমন এক প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দল গত মে মাস থেকে জামায়াত ও হেফাজতের কাঁধে চড়ে হরতাল-অবরোধ দিয়ে আসলেও সামনে দেশ ও জনগনের স্বার্থে তারা এ নীতির পরিবর্তন করবে. এই মুহূর্তে এটাই আশা করছি।
মতিয়া চৌধুরী তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি দলের বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফোরামের মহাসচিব কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশার নির্বাচন প্রত্যাখানের ঘোষণার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বলেন, ‘যিনি নিজের উপজেলার ৭১ টি কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৬টি কেন্দ্রে পাস করে ৬৫ টিতে ফেল করেন এবং যিনি নিজের কেন্দ্রেও পাস করতে পারেন নি তিনার বিষয়ে কি বলার আছে?’
মতিয়া চৌধুরী দুপুরে শেরপুরের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধ্যায় তার ফলাফল নেয়ার সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন ও পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদুল করিমসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি, পৌর মেয়র হুমায়ুন কবীর রুমান, জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন ছানু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, আ’লীগ নেতা আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াদুদ অদু, এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু, বশিরুল ইসলাম শেলু, গোলাম রব্বানী, প্রকাশ দত্ত, জিন্নাহ আলী, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান লিটন ও উম্মে কুলসুম রেনু, এডভোকেট ইমাম হোসেন ঠান্ডু, হাবীবুর রহমান হাবীব, পৌর প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, গাজী জাহিদুল ইসলাম জিহাদ, এডভোকেট ফারহানা পারভীন মুন্নী প্রমুখ।




