শাহ আলম, টাঙ্গাইল : আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল অংশ গ্রহন না করলেও প্রার্থীরা টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ নির্বাচনকে জমিয়ে তুলেছে। নির্বাচনী এলাকায় ছেয়ে গেছে ব্যানার ও পোষ্টারে। দিনরাত চলছে নির্বাচনী প্রচারপ্রচারণার মাইকিং। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ভোটাররাও যাকে যেমন পারছে আশ্বস্থ করছে। চায়ের দোকানেও ঝড় তুলছে নির্বাচনী আলাপ আলোচনায়।
তবে অনেকেই বলছে প্রধান বিরোধী দল এই নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন আরো জমতো। বিগত ৯ টি সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে জাতীয় পাটি তিন’বার, আওয়ামী লীগ তিন’বার এবং বিএনপি তিন বার বিজয়ী হয়েছেন। আগামী ৫ জানুয়ারী নির্বাচনে এ আসনে দ্বিমুখী লড়াই হবে।
আগামী ৫ জানুয়ারী জাতীয় দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। টাঙ্গাইল-৫ আসনে মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৯৪০ জন ভোটার রয়েছেন। প্রধান বিরোধী দলবিহীন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও গবেষনা সম্পাদক হাজী ছানোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগের মনোয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। এদিকে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম এর ছোট ভাই মুরাদ সিদ্দিকী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে টিয়া পাখি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। গত নির্বাচনে প্রায় ৭০ হাজার ভোট পেয়ে পরাজিত হলেও এবারের নির্বাচনে বিএনপির কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দি না থাকায় এ আসনটিতে প্রচার-প্রচারনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। অপর দিকে জাতীয় পাটি (মঞ্জু) সাদেক সিদ্দিকী সাইকেল প্রতিক ও আতোয়ার রহমান বিএনএফ (বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্ট) এর প্রার্থী হয়ে টেলিভিশন প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। রাজনৈতিক বিবেচনায় এ আসনটি স্থানীয় ও জাতীয় ভাবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ন। বিগত নির্বাচন গুলোতে এ আসন থেকে যেই এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ন মন্ত্রী অথবা সম পদ মর্যাদা পেয়েছেন। এ কারণে শুরু থেকে জেলা সদরের এ আসনটিকে ঘিরে রাজনীতির শীর্ষ নেতাদের মর্যাদার লড়াইতে পরিনত হয়ে আসছে।
এবারের নির্বাচনে সাধারন ভোটারদের মধ্যে আতংক থাকলেও তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য কেন্দ্রে যাবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী মনে করছেন শেখ হাসিনা যেহেতু সরকার গঠনের জন্য যে আসন দরকার তার অধিক পেয়েছেন। এজন্য তিনি মনে করছেন ভোট যদি চুরি না হয় তাহলে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন মনে করছেন সাধারন ভোটাররা নৌকা প্রতিকেই ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করবেন। প্রার্থী সাদেক সিদ্দিকী (জাতীয় পার্টি (জেপি)তিনি মনে করছেন সাধারন ভোটাররা নির্বিঘেœ ভোট কেন্দ্রে যাবে এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।




