স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে সন্ত্রাসী হামলা ও মারপিটের চাঞ্চল্যকর এক মামলায় পিতা-পুত্রকে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেলিম মিয়া ওই সাজার আদেশ দেন। দন্ডিত পিতা-পুত্র হচ্ছেন নকলা উপজেলার উত্তর কায়দা গ্রামের মৃত আজগর আলীর পুত্র ওসমান গণি(৫০) ও তার পুত্র সোহাগ মিয়া (২৫) । এদের মধ্যে ওসমান গণিকে ১০ বছর সশ্রম কারদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ড এবং সোহাগ মিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ২ আগস্ট দুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্রকরে নকলা উপজেলার উত্তর কায়দা গ্রামের ওসমান গণি ও তার পুত্র সোহাগমিয়াসহ কয়েকজন স্থানীয় কৃষক সাইফুল ইসলামের বসত বাড়ীতে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তারা সাইফুলের মেয়ে শামছুন্নাহার শান্তির ডানহাতের কব্জি পর্যন্ত ও ভাই শাহজাহানের বাম হাতের আঙ্গুল, কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এছাড়া তাদের অপর স্বজন দুলাল মিয়ার কাঁধ কেটে ফেলে।
ওই ঘটনায় ১০ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের হলে পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচারিক পর্যায়ে ইন্তাজ আলী নামে একজন মারা যায়। পরে বাদী ও জখমীসহ ৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ওসমান গণিকে দন্ডবিধির ৩২৬ ধারায় ৭ বছর ও ৩২৪ ধারায় ৩বছর এবং সোহাগ মিয়াকে ৩২৬ ধারায় ৭ বছরের দন্ড প্রদান করেন। অপরাপর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয় । বাদী সাইফুল ইসলাম ওই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মামলাটি রাষ্ট্র পক্ষে এপিপি এডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম ও আসামী পক্ষে এডভোকেট আব্দুল মজিদ বাদল পরিচালানা করেন।

প্রেরক : রফিকুল ইসলাম আধার , শেরপুর তাং ৩১/১২/১৩ মোবাঃ ০১৭২০ ০৭৯৪০৯
শেরপুরে সন্ত্রাসী হামলা ও হাত কর্তনের মামলায় পিতা-পুুত্রের কারাদন্ড
নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর, ৩১ ডিসেম্বর শেরপুরে সন্ত্রাসী হামলা ও মারপিটের চাঞ্চল্যকর এক মামলায় পিতা-পুত্রকে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেলিম মিয়া ওই সাজার আদেশ দেন। দন্ডিত পিতা-পুত্র হচ্ছেন নকলা উপজেলার উত্তর কায়দা গ্রামের মৃত আজগর আলীর পুত্র ওসমান গণি(৫০) ও তার পুত্র সোহাগ মিয়া (২৫) । এদের মধ্যে ওসমান গণিকে ১০ বছর সশ্রম কারদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ড এবং সোহাগ মিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ২ আগস্ট দুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্রকরে নকলা উপজেলার উত্তর কায়দা গ্রামের ওসমান গণি ও তার পুত্র সোহাগমিয়াসহ কয়েকজন স্থানীয় কৃষক সাইফুল ইসলামের বসত বাড়ীতে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তারা সাইফুলের মেয়ে শামছুন্নাহার শান্তির ডানহাতের কব্জি পর্যন্ত ও ভাই শাহজাহানের বাম হাতের আঙ্গুল,
কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এছাড়া তাদের অপর স্বজন দুলাল মিয়ার কাঁধ কেটে ফেলে। ওই ঘটনায় ১০ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের হলে পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচারিক পর্যায়ে ইন্তাজ আলী নামে একজন মারা যায়। পরে বাদী ও জখমীসহ ৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ওসমান গণিকে দন্ডবিধির ৩২৬ ধারায় ৭ বছর ও ৩২৪ ধারায় ৩বছর এবং সোহাগ মিয়াকে ৩২৬ ধারায় ৭ বছরের দন্ড প্রদান করেন। অপরাপর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয় । বাদী সাইফুল ইসলাম ওই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মামলাটি রাষ্ট্র পক্ষে এপিপি এডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম ও আসামী পক্ষে এডভোকেট আব্দুল মজিদ বাদল পরিচালানা করেন।




