ছাতক (সুনামগঞ্জ) : ছাতকের পলীতে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ২০জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সিংচাপইড় ইউনিয়নের কুমারকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কুমারকান্দি গ্রামের ইলিয়াছুর রহমানের পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী মকসুদুর রহমান ও একই গ্রামের হাজী আব্দুর রউফের পুত্র আমিরুল হকের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। আমিরুল হক পক্ষের ছৈল মিয়ার পুত্র রাজ মিয়া ও মকসুদুর রহমানের পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমুজ মিয়া মুরাদের মধ্যে সোমবার বিকেলে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরাজ করতে থাকে টান-টান উত্তেজনা। মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কুমারকান্দি মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ঘন্টাব্যাপী দফায়-দফায় সংঘর্ষে গোটা এলাকা পরিনত হয় রনক্ষেত্রে। স্থানীয় গন্যমান্যদের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষ এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রনে এলেও এর আগেই উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। গুরুতর আহত শিপন মিয়া (২৯), জিলুর রহমান (২২), সুধির দাস (৩০), আজিজুর রহমান শান্ত (৩২), জিলুল রহমান (২৮), মাসুদ (২৬), খাইরুল হক (৩০), ফখরুল হক (২৬), রফিকুল আলম (৩০), আমিরুল হক (৪৫), আব্দুল কাইয়ূম (৬০), সুধির সূত্রধর (৪৫), হোসাইন আহমদ (৩৩), খোকন (২৫), এহিয়া (২৭), ছামির আলী (৩৫), মাছুম (২৩), তোফায়েল (২৪), আব্দুর রশিদ (৩০), জয়নুল ইসলাম (২২) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম (২৩), আব্দুল আমিন (২২), আব্দুল আউয়াল (৩০), আব্দুর রহমান (২৪), সাইদুল আলম (২৩), শাহেদ আলী (২৮), মুহিবুর রহমান (২৫), আজিরুল (২৪), নুর উদ্দিন (৫০), সিদ্দিকুর রহমান (৩২), আব্দুল লতিফ (৫৫), আব্দুল গফুর (৪০), জাবেদ হোসেন (২০)সহ অন্যান্য আহতদের কৈতক হাসপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে সুনামগঞ্জের এডিশনাল এসপি আমিনুল ইসলাম সরকার, ছাতক থানার অফিসার্স ইনচার্জ শাহজালাল মুন্সি ও জাউয়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।




