সাতক্ষীরা সংবাদদাতা : সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে ৫ শিবিরকর্মী নিহত হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর সোমবার ভোরে ওই ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সদর উপজেলায় একজন ও দেবহাটায় ৪ জন নিহত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার চৌধুরী মনজুরুল কবীর জানান, সোমবার ভোররাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় যৌথবাহিনীর সদস্যরা অবরোধের নামে গাছ কাটা ও নাশকতার মামলার আসামীদের গ্রেফতার অভিযানে নামে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার সাতানী গ্রামে যৌথবাহিনীর সদস্যরা গেলে স্থানীয় জামায়াত-শিবির সমর্থকরা চারদিক থেকে তাদেরকে ঘেরাও করে ফেলে। ওই সময় আত্মরক্ষার্থে যৌথবাহিনীর সদস্যরা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই জাহাঙ্গীর আলম (৩০) নামে একজন নিহত হয়। পরে অবরোধকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে যৌথবাহিনীর সদস্যরা সেখানে থেকে চলে আসে।
এছাড়া ভোর ৫টার দিকে দেবহাটা উপজেলার শাখড়া ও সখিপুর এলাকায় যৌথবাহিনীর সদস্যরা আসামী ধরতে অভিযানে গেলে জামায়াত-শিবির সমর্থকরা তাদেরকে ঘিরে ফেলে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা যৌথবাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি করলে যৌথ বাহিনীও পাল্টা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। তবে পুলিশ সুপার দেবহাটায় নিহত ৪ জনের পরিচয় জানাতে পারেননি।
দেবহাটায় যৌথবাহিনীর অভিযানে নেতৃত্বদানকারী সাতক্ষীরা-৩৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমাম আহসান জানান, জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে তাদের গুলিবিনিময়ের ঘটনায় দেবহাটার শাখড়া ও সখিপুর এলাকায় কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি পড়ে থাকতে দেখেছেন। তবে কতজন মারা গেছে তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।
এদিকে নিহত জাহাঙ্গীরকে জামায়াতের কর্মী বলে দাবি করেছেন জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান। এছাড়া ওই ঘটনায় সেখানে আরও এক জামায়াতকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে তিনি দাবি করলেও তার পরিচয় জানাতে পারেননি।




