শাহআলম (কালিহাতী) টাঙ্গাাইল : টাঙ্গাইলের সন্তোষে যথাযোগ্য মর্যাদায় মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রোববার এ উপলক্ষে দেশী বিদেশী অসংখ্য অনুসারী রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক ভাসানী ফাউন্ডেশন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তার মাজারে পূষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। সকাল থেকেই সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। চির নিদ্রায় শায়িত সন্তোষে তার মাজার প্রাঙ্গনে ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় উপমহাদেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীন নেতার মাজার। এসময় অসংখ্যক মুরিদান ও ভক্তদের কন্ঠে যুগ যুগ জেয় তুমি মওলানা ভাসানী শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে মজলুমের জননেতার সমাবেশ স্থল ও পুরো মাজার প্রাঙ্গন।
সকাল ৭টায় মওলানা ভাষানী বিঞ্চান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্জ ড.আলাউদ্দিন মওলানা ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক ও মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু করেন। পরে জেলা বিএনপি, জাতীয় পার্টি,কৃষক শ্রমিক জনতালীগ, টাঙ্গাইল পৌরসভার বিভিন্ন সমাজিক,সাংস্কৃতিক সংগঠক সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এসময় রক্তদান ও বিনামূল্যে চিকিৎসা কর্মসুচি গ্রহন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো দেয়াল পত্রিকা ,কাঙ্গালীভোজ সহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজনে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধাভরে মওলানা ভাসানীর আপোষহীন ভূমিকা স্মরন করেন। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৮০সালে ১২ডিসেম্বর তৎকালিন সিরাজগঞ্চ ধানগড়া গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবার নাম হাজী সরাফত আলী খান ২০দশকের বৃটিশ ভারতের অন্যতম তৃনমূল রাজনীতিবিদ ও গনআন্দোলনের নায়ক মজলুম এই জননেতা। ১৯৫৪ খ্রি. নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারীদেও মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। জীবদ্দশায় তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্থান সৃষ্টি ও ১৯৭১সালে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ৯৬ বছর বয়সে মহান এই নেতা পরলোক গমন করেন।




