শ্যামলবাংলা ডেস্ক : যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ১৫ নভেম্বর শুক্রবার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে। হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) কারবালার ফোরাত নদের তীরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শাহাদাতবরণ করেন। ওই শোক ও স্মৃতি স্মরণ করে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল মর্সিয়া, তাজিয়া মিছিল, বিশেষ মোনাজাত, দোয়া মাহফিল ও কোরআনখানি।
কারবালার শোকাবহ ঘটনায় ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে আশুরা মুসলমানদের কাছে অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে প্রেরণার উৎস। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে সর্ববৃহৎ তাজিয়া মিছিল বের করেন। তাজিয়া মিছিলের ঢাকঢোলের বাজনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সব কিছু ছাড়িয়ে উচ্চারিত হতে থাকে ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ মাতম।
ইমাম হোসাইনের (রা.) কণ্ঠদেশে ছুরি চালিয়ে হত্যা করেছিল সীমার। ইমাম হোসাইনের (রা.) সেই কষ্টের সমানুভূতি জাগাতে মিছিলে অংশ নেওয়া অনেক তরুণ ও যুবককে ব্লেড ও ছুরির ঝোপ্পার সাহায্যে নিজের শরীরে আঘাত করতে দেখা যায়। এতে তাদের শরীর থেকে অনবরত রক্ত ঝরতে থাকে। প্রতিবছরই শিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা এটি করে থাকে। তাদের বিশ্বাস, এভাবে নিজের ওপর ছুরি চালালে নবীর বংশধরকে হত্যার পাপ মোচন হবে।




