মো.সুজন রানা, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) : বঙ্গাব্দের ১লা অগ্রাহয়ন শুক্রবার। আজ থেকে শুরু হচ্ছে গ্রাম বাংলার কৃষকদের ঘরে ঘরে ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব। কালের বিবর্তনে অনেক কিছুর বিলপ্তি হলেও নবান্ন উৎসব পালনের কথা বাংলার কৃষকরা আজও ভুলে যায়নি।
আমন ধান কাটার পরেই শুরু হয় নবান্ন উৎসব। নতুন ধানের নতুন চালের পিঠে, পোলাও, পায়েস, ক্ষীর তৈরি করা হয় কৃষকদের ঘরে ঘরে। ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব উপলক্ষ্যে গ্রাম-গঞ্জের কৃষক পরিবার জামাই-ঝি ও আত্মীয় স্বনদের দাওয়াত করে নতুন চালের বিভিন্ন রকমের খাবার তৈরি করে ভুরিভোজের আয়োজন করে। প্রতিটি গ্রামে বাড়ি বাড়ি নতুন চালের রান্নার মৌ মৌ গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। নতুন চালের পিঠে, পোলাও, পায়েস, ক্ষির খেতেও বেশ মজা লাগে। তাই কৃষক পরিবারের জামাই-ঝি ও আত্মীয় স্বজনরা নবান্ন উৎসবের দাওয়াত পাবার জন্য অধির আগ্রহে দিন গুনতে থাকে। গ্রাম গঞ্জে নবান্ন উপলক্ষে গরু, মহিষ, ছাগল জবাই করে ও হাট বাজার থেকে বড় বড় মাছ কিনে এনে বাড়িতে ভুরিভোজের আয়েজন করা হয়। প্রাচীণ কাল থেকে কৃষকরা নবান্ন উৎসব করে আসছে। বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম, কাহালু, আদমদীঘি, দুপচাঁচিয়া, শাজাহানপুর, শেরপুর উপজেলায় সব চেয়ে বেশি নবান্ন উৎসব পালিত হয়।




