• মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
/ Uncategorized

শেরপুরে বিএনপিতে ঐক্যের সুবাতাস

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
/ ১০১২ বার পঠিত
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৩

pic- bnp-01জিএইচ হান্নান, শেরপুর : দ্বন্দ্ব-সংঘাত, বহিস্কার আর অবাঞ্ছিত ঘোষণার মত পাল্টাপাল্টি অবস্থানের দীর্ঘদিন পর অবশেষে শেরপুরে বিএনপিতে ঐক্যের সুবাতাস শুরু হয়েছে। ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে খরমপুরস্থ মরহুম এড. ছাইফুল ইসলাম কালামের বাসভবনে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির একাংশের প্রস্তুতি সভায় হঠাৎ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল উপস্থিত হলে ঐক্যের সুবাতাস ছড়িয়ে পড়ে। উপস্থিত একাংশের নেতা-কর্মীসহ তৃণমুলের নেতাকর্মীদের মাঝে জাগে আশার সঞ্চার। ওই বৈঠকে বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা সকল মতবিরোধ ভুলে গিয়ে আগামী দিনে সরকার বিরোধী আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হতে ঐক্যমত পোষণ করেন। এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট তৌহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম স্বপন, শহর বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান তারা, জেলা কৃষক দলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম আঙ্গুর, জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক উজ্জ্বল সরকার, জেলা বিএনপি নেতা  প্রভাষক এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ, ম শফিউল ইসলাম চানসহ মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে, দলীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, দ্বন্দ্ব নিরসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক রুবেলের উদ্যোগে অপর অংশটি খুশি হতে পারেনি। তবে দলপ্রেমী আর পর্যবেক্ষক মহলের মতে, অভ্যন্তরিণ দ্বন্দ্ব আর গ্র“পিং যত দ্রুত নিরসন হবে, দলের জন্য ততই মঙ্গল।
উল্লেখ্য, শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এড. ছাইফুল ইসলাম কালামের মৃত্যুর পর জেলা বিএনপিতে শুরু হয় নেতৃত্বের কোন্দল। ওই কোন্দলের জের ধরে দলীয় কেন্দ্রিয় কমূর্সচি পালনে দেখা দেয় নানা জটিলতা এবং অনেক সময় কেন্দ্রিয় কোন কর্মসূচী পালনে দ্বিধাবিভক্ত নেতা-কর্মীদের মাঠে দেখা যায়নি। ফলে শেরপুর বিএনপিতে গ্র“পিং ও কোন্দল চরম পর্যায়ে পৌছায়। শহরের রঘুনাথ বাজার জেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়টি নেতা-কর্মীশূন্য হয়ে পড়ে। এরই এক পর্যায়ে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক আশীষ ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক রুবেল বিবদমান অপর গ্র“পের শীর্ষ নেতা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম স্বপনকে বহিস্কারের ঘোষণা দেয়। এর পাল্টা হিসেবে সাইফুল ইসলাম স্বপন গ্র“পের পক্ষ থেকে আব্দুর রাজ্জাক আশীষ ও মাহমুদুল হক রুবেলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। এরপর নানা মেরুকরণের সূত্রে আন্দোলন আর নির্বাচনের প্রশ্নে সমঝোতায় পৌছতে কেন্দ্রীয়ভাবেও উদ্যোগ নেওয়া হয় দু’পক্ষকে নিয়ে। কিন্তু তারপরও বরফ গলেনি।


এই বিভাগের আরও খবর