ads

রবিবার , ২৩ আগস্ট ২০১৫ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে আমন বীজতলায় পামরী পোকার আক্রমন, দিশেহারা কৃষক

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ২৩, ২০১৫ ৯:৫১ অপরাহ্ণ

jhalakati amon bijtolaঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলায় আমন মৌসূমে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী করা হয়েছে। এর অধিকাংশ স্থানের বীজতলায়ই পামরী পোকা আক্রমন করেছে। প্রতিবিঘা জমিতে ৪ হাজার টাকা উৎপাদন খরচ হবার পরে বীজতলায় আশংকাজনক হারে পামরী পোকার আক্রমন হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক।
কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, এবছর আমন মৌসূমে ধান উৎপাদনের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৬ হাজার ২শ ৪৩ হেক্টর জমি। এ জমিতে আবাদের জন্য বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৭শ ৫ হেক্টর। বীজ উৎপাদন হয়েছে ৪ হাজার ৭শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ১ হাজার ১১ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে বীজতলা তৈরী হয়েছে ১ হাজার ৩শ ৬৫ হেক্টর জমিতে। নলছিটি উপজেলায় ৯শ ৬৭ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে বীজতলা তৈরী হয়েছে ১ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে। রাজাপুর উপজেলায় ৯শ ৫ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে বীজতলা তৈরী হয়েছে ১ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে। কাঠালিয়া উপজেলায় ৮শ ২২ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে বীজতলা তৈরী হয়েছে ৮শ ৫০ হেক্টর জমিতে।
নলছিটি উপজেলার প্রতাপ ব্লকের কৃষক সিরাজ গাজী, শাহা গাজী, আলফাজ গাজী, আবতার মাঝি ও লিয়াকত মাঝি জানান, ইতিপূর্বে শুনেছি বিভিন্ন স্থানে পামরী পোকা আমন বীজতলা আক্রমন করেছে। কিন্তু আমরা নিরাপদে ছিলাম। ২/৩ দিন ধরে অল্প অল্প করে আমন বীজের মাথা সাদা হতে দেখে তেমন গুরুত্ব দেই নাই। শনিবার এসে দেখি অর্ধেকাংশের মাথা সাদা হয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ তালুকদারের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি এসে পরিদর্শন করেন। আমাদেরকে বীজের মাথা কেটে (কিপিং করার) পরামর্শ দেন। কিন্তু আমরা একটু অপেক্ষা করে রোববার সকালে দেখি বীজতলার সম্পুর্ণ এলাকার মাথা পামরী পোকার আক্রমনে সাদা হয়ে গেছে। যে জমিতে বেশি আক্রমন হয়েছে সেখানে কিপিং পদ্ধতি ব্যবহার এবং যেখানে কম আক্রমন হয়েছে সেখানে মেশিন না থাকায় বালতিতে ঔষধ গলিয়ে খেজুর গাছের পাতার সাহায্যে দিয়েছি।
কৃষক শাহা গাজী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ৩ বিঘা জমির দেড় বিঘাতেই আমন বীজতলা করেছি। তাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার টাকা। কিন্তু বীজতলা পামরী পোকা আক্রমন করায় এখন আবার তা দূর করতে প্রায় ১ হাজার টাকা খরচ হয়ে যাবে। আমাদের ঔষধ প্রয়োগের জন্য কোন মেশিন না থাকায় হাত দিয়ে অথবা খেজুর পাতার সাহায্যে জমিতে দিতে হয়।
প্রতাপ ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ তালুকদার বলেন, নিয়মিত ব্লকের সব কৃষকের সাথেই যোগাযোগ রাখছি। পামরী পোকার আক্রমনের পর প্রতিকারের বিষয়ে তাদেরকে পরামর্শ দিলে তারা তা একটু দেরিতে করায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। তারপরে কিপিং পদ্ধতিতে পামরী পোকা মুক্ত করে বীজতলা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!