ads

শনিবার , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

জামালপুরে খালেদা জিয়া : বিএনপির সঙ্গেই আলোচনায় বসতে হবে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৪ ৬:১১ অপরাহ্ণ

khaleda- Jamalpurজামালপুর সংবাদদাতা : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশে জাতীয় নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের ‘সর্ববৃহৎ’ রাজনৈতিক দল বিএনপির সঙ্গেই এই সরকারকে আলোচনায় বসতে হবে। সেই নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। এর বাইরে কোন নির্বাচন বাংলার মানুষ মানবে না। তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচনের দাবিতে জামালপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন জেলা স্কুল মাঠে এক জনসভায় বিএনপি চেয়ারপার্সন ওই কথা বলেন। ২০ দলীয় জোট ওই জনসভার আয়োজন করে।
এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে কোনো জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। জাতীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হতে হবে। জনগণ সেই নির্বাচনে যাদের পছন্দ তাদেরকে নির্বাচিত করবে। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, তখন আমরা একসাথে স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন করেছি। তখন আমরা অঙ্গীকার করেছিলাম, কেউ এরশাদের নির্বাচনে যাব না। হাসিনা তখন বলেছিলেন, কেউ যদি নির্বাচনে যায়, তাহলে তারা হবে জাতীয় বেঈমান। কিন্তু আওয়ামী লীগই সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো। কিন্তু সেই নির্বাচন বেশিদিন টিকে নাই। কারণ জনগণ এই নির্বাচন মানে নাই। বিগত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনও জনগণ মানে না।
তিনি বলেন, এখন তারা আমেরিকায় গিয়ে বলছে ভোটে না গিয়ে বিএনপি ভুল করেছে। আমরা প্রমাণ করেছি, ৯৫ শতাংশ মানুষ আমাদের সাথে আছে। আমরা ভুল করিনি। কাফফরা আপনাদের (আওয়ামী লীগকে) দিতে হবে। কারণ আপনারা ভোট চুরি করেছেন। মানুষের টাকা চুরি করেছেন। ভবিষ্যতে এর হিসাব দিতে হবে।
জনসভায় জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুল কাইয়ুম, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবীব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক সংসদ সদস্য নীলোফার চৌধুরী মনি, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দীন টুকু, স্থানীয় বিএনপি নেতা সিরাজুল হক, সুলতান মাহমুদ বাবু, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, আব্দুর রউফ তালুকদার প্রমুখ। জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অ.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মাওলানা মোহম্মদ ইসহাক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সালাহউদ্দীন মতিন, জাগপার সভাপতি সফিউল আলম প্রধান, জাতীয় পার্টিও (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, এনডিপির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপির চেয়ারম্যান ডা. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ, পিপলস লীগের চেয়ারম্যান গরিবে নেওয়াজ, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মনি প্রমুখ।

Need Ads
error: কপি হবে না!