ads

মঙ্গলবার , ১৩ মে ২০১৪ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চিতলমারীতে চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষীরা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ১৩, ২০১৪ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ

CCCCCচিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি :  মাছ চাষে অতিরিক্তি ব্যয়, মাছের দাম কম, চিংড়ি ঘেরে বিষ প্রয়োগ, মাছের ঘেরে চুরি আর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বাগেরহাটে চিতলমারীর চিংড়ি ঘের মালিকরা চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এক সময় চিংড়িতে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জিত হওয়ায় এ উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ছোট, বড় ও মাঝারিসহ সব ধরনের কৃষকেরা চিংড়ি চাষে আগ্রহী ছিল। নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, এমনকি ধনাঢ্য ব্যক্তিরাও চিংড়ি মাছ চাষ করে। আর যাদের নিজেদের জায়গা-জমি ছিলনা সেই সব লোকেরা অন্যের জমি বর্গা অথবা কয়েক বছরের জন্য লিজ নিয়ে চিংড়ি মাছ চাষে পুঁিজ বিনিয়োগ করেন। শুরুতে চিংড়ি চাষ করে চাষীদের ব্যাপক ভাবে লাভবান হন। দিন ফিরতে শুরু করে বারাশিয়া, কলিগাতী, ডুমুরিয়া, রায়গ্রাম, শ্রীরামপুর, চরবানিয়ারী সহ চিতলমারী বাসীর। এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষের জাীবনযাত্রার মান উন্নত হতে থাকে।  দুর হতে থাকে দুঃখ নামের বস্তুটি। বর্তমানে চিংড়ি চাষের এলাকাকে ছোট কুয়েত নামে ডাকা হয়। স্বাবলম্বী হয় নিম্ন আয়ে পরিবার থেকে উচ্চবৃত্ত পরিবারের সদস্যরা।

Shamol Bangla Ads

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চিতলমারীতে ১২ হাজার ৭শ ৮০টি মৎস্য অফিস থেকে নিবন্ধিত মৎস্য ঘের রয়েছে। এসব ঘেরে চিংড়ি চাষের পাশাপাশি, সাদা মাছ ও ইরি বোরা ধান এবং ঘেরের পাড়ে সবজি চাষ হয়। বর্তমানে সবজি চাষে কৃষকরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করছেন। প্রতিটা ইউনিয়নে এক শ্রেণির অসাধু লোকের কারণে চিংড়ি চাষী ভোগান্তির শেষ নেই। কারো সাথে শত্র“তা হলে ঘেরে বিষ প্রয়োগ আর মৌসুমের শেষে মাছ চুরি, মাছের দাম কম, মাছ চাষে অতিরিক্ত খরচ। এসব কারনে চিংড়ি চাষীরা মাছ চাষ থেকে দুরে সরে আসছে। চিংড়ি চাষ শুরু হওয়ার এক থেকে দুই বছর  কোন প্রকার ক্ষতি ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মৌসুম শেষে ভাল মুনাফা অর্জিত হলেও এখন আর তা হচ্ছে না। এক প্রকার বিষাক্ত ওষুধ ব্যবহার করে ঘেরের সমুদয় মাছ লুট করে নিয়ে যায়। আর ছোট বড় মাঝারিসহ সব ধরনের ঘের মালিকদের সারা বছরে লগ্নি করা অর্থ লুটেরাদের কবলে পড়ে শেষ হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় লুট ছাড়াও অবিরাম চুরি হয়েছে। আবার অনেক স্থানে  প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে  ঘেরে কীটনাশক প্রয়োগ করে রেণু চিংড়ি পোনাসহ লাখ লাখ টাকার চিংড়িমাছ ধ্বংস করে দিয়েছে। এভাবেই  উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে চিংড়ি চাষীরা এ চাষ থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছে। একজন চিংড়ি চাষীর ঘেরে চিংড়ি মাছ চাষের উপযোগী করতে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হয়। তাছাড়া চিংড়ির রেণু পোনা ক্রয়, খাবার, শ্রমিকদের মজুরী ইত্যাদিতে অর্থ লগ্নি করতে হয় চিংড়ি চাষীদের। মাছ বিক্রি করে চাষীরা তাদের খরচ মিটিয়ে সঞ্চয় করতেন। এ ব্যপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা গৌতম মন্ডল জানান, এ উপজেলা ছোট বড় সর্বমোট নিবন্ধিত ঘের রয়েছে ১২ হাজার ৭শ ৮০টি ঘের এবং ৬ হাজার ৭শ টি পুকুর রয়েছে। বাগদা চাষ হয় ২ হাজার ৪শ ৯০ হেক্টর এবং গলাদা ৪ হাজার ৩শ ১৫ হেক্টর জমিতে।

Need Ads
error: কপি হবে না!