মেহের আমজাদ,মেহেরপুর : মেহেরপুরে প্রতিটি গ্রাম, শহর, পাড়া, মহল্লা এবং প্রাইমারী স্কুল,হাইস্কুলসহ কিন্ডার গার্টেন ও কোচিং সেন্টারের সামনে শিশু কিশোররা আইসক্রীমের নামে খাচ্ছে রঙ্গিন বিষ। বৈশাখের রৌদ্র ও তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে হরহামেসে শিশু কিশোররা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর রকমারী রং এ্যরারুড পাউডার,পঁচা নারকেল,আটা-ময়দা ও সিট কেমিকেল দিয়ে তৈরী আইসক্রীম কিনে খাচ্ছে। মেহেরপুরের প্রায় ১ ডজন অনুমোদনহীন আইসক্রীম ফ্যাক্টরী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অবাধে এবং প্রকাশ্যে আইসক্রীম প্রস্তুত করে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে প্রতিদিন ছড়িয়ে দিচ্ছে মেহেরপুরের সর্বত্র। আইসক্রীম ফ্যাক্টরীর মালিক কারা, কি কি উপাদানে তৈরী হচ্ছে, কোন পরিবেশ এবং কোথায় সেটা কি স্বাস্থ্য সম্মত এসব ব্য্পাারে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ কর্তৃপক্ষের ধারনা বা নজরদারী আছে বলে মনে হয়নি। কুলফি মালাই, মিল্ক মালাই, কোকোনাট মালাই, সকাল সন্ধ্য মালাই, সর মালাই, রঙ্গিন মালাই এমনই সব বাহারী নামের মালাই খেয়ে কোমলমতি শিশু কিশোররা পেটের পীড়ায় ভুগছে, হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি তবুও বিধি নিষেধ নেই আইসক্রীম নামে রঙ্গিন বিষ তৈরী এবং বিক্রয়ে। এছাড়াও মুদি, পান বিড়ি ও ফাস্টফুড দোকানগুলোতে প্রতিষ্ঠিত আইসক্রীম কোম্পানীর আইসক্রীম ছাড়াও স্থানীয় মানহীন আইসক্রীম বিক্রয়ে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীদের উৎসাহ বেড়েছে বলে জানা গেছে। মেহেরপুরে এক অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে শিশু খাদ্যের নামে যেগুলো বাজারে বিক্রয় হয় তা অর্ধেকই নকল, ভেজাল, মানহীন এবং সরকারের অনুমতি বা বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই বিক্রয় হয়ে থাকে যা শিশুরা খেলে পড়বে চরমভাবে স্বাস্থ্য ঝুকিতে।




