বাবুগঞ্জ(বরিশাল) প্রতিনিধি ঃ বাবুগঞ্জে ইউএসএআইডি’র হরর্টিকালচার প্রজেক্টে’র উদ্দ্যেগে ব্রাক বাস্তবায়নে কমলা শাঁসযুক্ত মিষ্টি আলুর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির লক্ষে (পাইলট) স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, গতকাল রবিবার সকাল ১০ টায় বাবুগঞ্জ সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান এস,এম খালেদ হোসনে স্বপন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন (বরিশাল) ডাঃ বাসুদেব কুমার দাস, বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাকাহীদ হোসেন,উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস,এম আমিরুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্যঃ ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো ঃ ফকরুল আলম, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক(ব্রাক) মোঃ সাইফুল ইসলাম , উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দিলদার নাহার, বাবুগঞ্জ সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নূরুল হক , বাবুগঞ্জ সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মৃধা মো ঃ আক্তার-উজ-জামান মিলন ,প্রধান শিক্ষক বাবু রনজিৎ বাড়ৈ,উপজেলা আ’লীগ যুগ্ন সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, আ’লীগ নেতা মোঃ কাইয়ুম হোসনে,কৃষিবীদ গেলাম আজম, ছাত্রলাগ নেতা মোঃ বুলবুল,মোঃ মামুন প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন মিষ্টি আলু ক্যন্সারের ঝুঁকি কমায় তাই শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদেও মিষ্টি আলু খাওয়ার ও চাষাবাদের পরামর্শ দেন।
বাবুগঞ্জে পরকিয়ার টানে ১ সন্তানের জননী উধাও হলেন দশম শ্রেনীর ছাত্রের সাথে

বাবুগঞ্জে দশম শ্রেণী পড়ুয়া স্কুল ছাত্রের সাথে পরকিয়ার প্রেমের টানে স্বামীর ঘর ছেড়ে অজানায় পারি জমালো ১ সন্তানের জননী ছনিয়া আক্তার (২৩)। জানাগেছে,বাবুগগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বিমানবন্দর থানাধীন মোঃ ইসমাইল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো ঃ আলমগীর হোসেন ৬ বছর আগে একই উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকদিয়া গ্রামের মোঃ জলিল হাওলাদারের বড় মেয়ে ছনিয়া আক্তারের সাথে বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পরে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করেন। বিয়ের বছর দু’য়েক পর স্ত্রী-সন্তান নিজ বাড়িতে বাবা মায়ের কাছে রেখে আলমগীর কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমায়,এদিকে আলমগীরের বিবাহিত স্ত্রী ১ সন্তানের জননী মোসাঃ ছনিয়া আক্তার স্বামীর অনুপস্তিতিতে প্রতিবেশী খোকন হাওলাদারে বড় ছেলে দশম শ্রেনী পড়–য়া স্কুল ছাত্র মোঃ শুভ’র (১৬) সাথে পরকিয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এদিকে আলমগীর বিদেশ থেকে বছর খানেক হয়েছে বাড়িতে এসেছে। এ সময়ও তার স্ত্রী দশম শ্রেনী পড়–য়া ঐ ছেলের সাথে স্বামীর অগোচরে যোগাযোগ রক্ষা করতো। ঘটনার দিন দুপুরে ছনিয়া তার ৩ বসর বয়সী শিশু কন্যার অসুস্থতার কারনে ওষধ আনতে পার্শ্ববর্তী দোকানে যাওয়ার কথা স্বামী আলমগীরকে বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে। সন্ধা হয়ে গেলে বাড়িতে না আসায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারে প্রতিবেশী খোকন হাওলাদারের ছেলে শুভ’র সাথে অজানার উদ্দ্যেশে পারি দিয়েছে ছনিয়া। যাওয়ার সময় আলমগীরের ঘরে থাকা প্রায় দের ভারি ওজনের স্বর্নের গহনা,নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র সহ কয়েক লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে উধাও হয়েছে। এ ঘটনায় আলমগীর বিমান বন্দর থানায় একটি ডায়রী করেছেন। বর্তমানে আলমগীর তার ৩ বছরের শিশু পুত্র নিয়ে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।




