ads

শনিবার , ৩ মে ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সাপাহারে অপহরণ মামলার কথিত ভিকটিম আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় উদ্ধার

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ৩, ২০১৪ ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
সাপাহারে অপহরণ মামলার কথিত ভিকটিম আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় উদ্ধার

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বহুল আলোচিত মিনারা খাতুন (১৮) অপহরণ মামলার কথিত ভিকটিম কে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় পুলিশ কর্র্তৃক উদ্ধারের মধ্য দিয়ে সাজানো এ অপহরণ নাটকের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হয়েছে।
প্রকাশ থাকে যে, উপজেলার লালচান্দা গ্রামের বাসিন্দা জৈনক ইয়াকুব আলী তাঁর স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও কন্যা মিনারা খাতুন কে নিজ বাড়ীতে রেখে দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকায় কাজ করছিল। এ দিকে একই গ্রামের মৃতঃ মোজাফ্ফর রহমানের পুত্র আজগর আলী (২৮) অভাবের তাড়নায় ঢাকায় রিকসা চালানোর জন্য গত বছরের ১২ আগষ্ট সোমবার রাতে রওনা দেয়। মিনারা খাতুন কে গার্মেন্টসে কাজ করানোর জন্য বাবা ইয়াকুব আলীর নিকট পৌছে দিতে আজগর আলীর সঙ্গে পাঠায় তার মা তাছলিমা বেগম। সকালে নৈশ কোচ থেকে নেমে তারা এক সাথে ঢাকার শ্যাওড়া রেল গেট বাজারে যায়। সেখানে রাস্তার পাশে মিনারা কে দাঁড় করে রেখে আজগর আলী মোবাইল ফোনে টাকা দিতে যায়। একটু পরে ফিরে এসে দেখে মিনারা সেখানে নেই তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাৎক্ষনিক মিনারা’র পিতাকে এ ঘটনা জানানো হলে তিনিও ক্ষিপ্ত হয়ে তার মেয়ে কে বের করে দিতে চাপ প্রয়োগ করে। নিরুপায় হয়ে মিনারা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আজগর আলী এলাকার গন্যমান্য বক্তিদের ফোনে জানিয়ে দিয়ে পাগলের মত রাজধানীর পথে পথে খেয়ে না খেয়ে হারিয়ে যাওয়া মিনারা কে খুঁজতে থাকে। এ দিকে মিনারা তার পিতার নিকট গোপনে আশ্রয় নেয়। শালিশ দরবারের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের লক্ষে বিভিন্ন পায়তারা শুরু করে মিনারার মা। অবশেষে মিনারার মা তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে মেয়ে মিনারা খাতুন কে অপহরণ করে বিদেশে পাচার করার অভিযোগে আজগর আলী ও তার স্ত্রী আইনুর বিবি (২৪) কে আসামী করে গত ১০ নভেম্বর নওগাঁ কোর্টে একটি মামলা দায়ের করে। এদিকে এই অপহরণ সংক্রান্ত ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত সাজানো ঘটনা বলে সাপাহার থানা পুলিশের নিকট প্রতিয়মান হয়। বাদী পুলিশের উপর মহলে তদবির করে আসামী গ্রেফতার করার জন্য স্থানীয় পুলিশের উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। ফলে বাধ্য হয়ে ৩ মাসের শিশু সন্তান সহ নিরপরাধ গৃহবধু আইনুর বিবি কে গত ১২ ডিসেম্বর নিজ বাড়ী থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। বিনা অপরাধে ৩ মাসের দুগ্ধপোষ্য শিশু সহ প্রায় ৪ মাস ধরে আইনুর বিবি জেলের ঘানী টানছেন। এদিকেএ মামলার তন্তকারী পুলিশ অফিসার এসআই মনিরুল ইসলাম দীর্ঘ তদন্তে নিশ্চিত হন যে কথিত অপরণ মামলার ভিকটিম অত্মগোপনে আছে। তিনি ভিকটিম মিনারাকে উদ্ধারের জন্য তাঁর এক খালাকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন যে কতিথ মিনারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমন্তবর্তী শিবগঞ্জ উপজেলার চর এলাকায় নাম পাল্টিয়ে আত্মগোপন করে আছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে এসআই মনিরুল ইসলাম ও এএসআই এমদাদুল হক গত ২৯ এপ্রিল কতিথ মিনারা কে উদ্ধারের জন্য চাঁপাইনবাগঞ্জ জেলার সীমন্তবর্তী শিবগঞ্জ উপজেলার চর এলাকায় যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিনারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মনিরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ৩০ এপ্রিল রাত ৯টায় নওগাঁ ঢাকা বাসস্ট্যন্ট এলাকা থেকে অপহরন মামলার কতিথ ভিকটিম মিনারা খাতুন ও তাঁর মা তাসলিমা বেগমকে আটক করে সাপাহার থানায় নিয়ে আসে। পরেরদিন পহেলা মে সকালে মিনারা খাতুন কে নওগাঁ কোর্টে প্রেরন করে। এ বিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর ইসলাম জানান, ন্যায় বিচারের স্বার্থে মোবাইল ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে ভিকটিম কে উদ্ধার করেছি এবং সত্য ঘটনা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!