শ্যামলবাংলা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, চোরাগোপ্তা হামলার জন্য বিএনপিই দায়ী। তিনি ১ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত জনসভায় ওই কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, বিএনপির এক নেতা বলেছে চোরাগোপ্তা আন্দোলন করবে। চোরাগোপ্তা আন্দোলন করে নাকি সরকারের পতন ঘটাবে। এখন দেশে যে চোরাগোপ্তা হত্যাকাণ্ড হচ্ছে এর জন্য তারাই যে দায়ী, এর মধ্যে আর কোন সন্দেহ নেই।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ধর্মের নামে রাজনীতি করে। তারাই আবার ধর্মীয় গ্রন্থ পুড়ায় ও ধর্মের অপব্যহার করে। মসজিদে আগুন দেয়। বিএনপির কাজ মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। তাদের আমলে জঙ্গিবাদের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বাংলাদেশে হত্যার রাজনীতি শুরু হয়েছে জিয়াউর রহমানের সময়ে এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, হত্যা খুন ষড়যন্ত্রের রাজনীতির ফাঁকে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে। যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দেন। যে সব যুদ্ধাপরাধী বন্দি ছিল জিয়াউর রহমান তাদের ছেড়ে দেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানই প্রথম দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা শুরু করে। জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়াও যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় বসিয়েছেন। খালেদা জিয়া লাখো শহিদের রক্তে ভেজা পতাকা তুলে দেয় রাজাকার, আল-বদরের হাতে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা শুরু করেছি। তাদের বিচারেরর রায় কার্যকর হচ্ছে। পরাজিতদের স্থান বাংলার মাটিতে নেই। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী দেশে অত্যাচার করে যখন কুল পাননি। তখন বিদেশিদের কাছে নালিশ করতে গেছেন। নালিশ করে কি পেয়েছেন বালিশ পেয়েছেন। গ্রাম বাংলায় একটা কথা আছে, ‘নালিশ করে বালিশ পায় ভাঙা জুতার বাড়ি খায়’। নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ভাঙা জুতার বাড়ি খেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে তখন বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। মানুষের জীবন সুন্দর হয়।
এর আগে মহান মে দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত মেলা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তিনি।




