সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের ব্যবসায়ি রাজীব আহম্মেদের ছেলে ও কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা কেবি আহছানিয়া প্রি ক্যাডেট স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র শিশু ফয়সাল হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, দেবহাটার সখীপুর কেবি আহসানউল্লাহ ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র রণি, একই গ্রামের ফুটবলার সাদ্দাম হোসেন ও দেবীশহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীল ছাত্র ও দেবীশহর গ্রামের আল আমিন।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী জালালউদ্দিন তাদেরকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাতক্ষীরার ভারতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা ৩ টি পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ৪ হাজার পিচ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট (অ্যানাগ্রা) উদ্ধার করেছে। তবে উদ্ধারের ঘটনায় বিজিবি সদস্যরা কাউকে আটক করতে পারেনি। উপজেলার চান্দুড়িয়া বিজিবির নায়েব সুবেদার নুরুল ইসলাম জানান, তাঁর নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা মঙ্গলবার ভোর ৫ টার দিকে সীমান্তবর্তী গেয়ালপাড়া গ্রাম থেকে ভারতীয় ১ হাজার পিচ অ্যানাগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। অপরদিকে মাদরা বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার গোলাম সরোয়ার জানান, তাঁর নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে সীমান্তবর্তী ভাদিয়ালি গ্রামের কালিবাড়ি এলাকা থেকে অনুরূপ ১ হাজার পিচ অ্যানাগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। এছাড়া হিজলদি বিজিবির নায়েব সুবেদার কামাল হোসেন জানান, তাঁর নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সোমবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে সীমান্তবর্তী হিজলদি গ্রাম থেকে ভারতীয় ২ হাজার পিচ অ্যানাগ্রা, ৫শ’ পিচ (যৌন উত্তেজক) হর্স পাওয়ার ট্যাবলেট ও ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত সকল পণ্যসামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
সাতক্ষীরায় গরীব ও দুস্থদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুদান বিতরণ
সাতক্ষীরায় গরীব ও দুস্থদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুদান হিসেবে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টায় জেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ২৪টি পরিবারের মাঝে ১ বান করে টিন ও নগদ তিন হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব অনুদান গরীব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আছাদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাফর রানা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাফিজুর রহমান, জেলা শ্রমিকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ হারুন উর রশিদ প্রমুখ।
সাতক্ষীরা আশাশুনির খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ , রণক্ষেত্র : গুলিবিদ্ধ ২ জনসহ আহত ১০

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের গদাইপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ২ জন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষ কমপক্ষে ১৫ টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীর জানায়।
এলাকাবাসি সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের পিরোজপুর ঘোড়া ছুট প্রতিযোগিতা দেখে খাজরা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস মোল্যার সমর্থক গদাইপুর গ্রামের জনৈক হোসেন মোল্যা বাড়ি ফিরছিল। এসময় বর্তমান চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের বাড়ির সামনে পৌঁছালে চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে দা ও হাতুড়ি দিয়ে ব্যাপক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এ খবর পেয়ে কুদ্দুস মোল্যার সমর্থকরা লাঠিসোটা নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে ধাওয়া করে চেয়ারম্যান ডালিম ও তার সমর্থকদের গৃহবন্দি করে রাখে। তখন ডালিমের বাড়ির ছাদের উপর থেকে ৪ রাউন্ড রিভলবলের গুলি ও বোমা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে কুদ্দুস মোল্যার সমর্থক মৃত দাউদ মোল্যার ছেলে কামরুল ইসলাম কামু (৪২)সহ অপর একজন গুলিবিদ্ধ হয়।এ সময় উভয়পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কামুর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান হাবীব জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ পক্ষের মধ্যে বিগত ১ সপ্তাহ ধরে সংঘর্ষ চলছে। যা বিরাট আকার ধারণ করেছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উভয়পক্ষের লোকজন সরে পড়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়োন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।




