ads

মঙ্গলবার , ২৯ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ চাঁদা দাবী ও উত্যাক্ত করার জিডি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ২৯, ২০১৪ ৮:১৭ অপরাহ্ণ

JHALAKATI  SS PIC-29-ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির রাজাপুরের দুবাই প্রবাসী স্ত্রী, দুই শিশু সন্তানের জননী ফজিলা আক্তার মিতুকে উত্যাক্ত করা, আসামাজিক কাজের প্রস্তাব ও চাঁদাদাবী সহ বিভিন্ন  ভাবে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে সহযোগীতার আবেদন জানিয়ে মঙ্গলবার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ঝালকাঠি জেলা শাখা কার্যালয়ে অসহায় গৃহবধূ ফজিলা আক্তার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ তুলে ধরেন। গৃহবধূ ফজিলা আক্তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, রাজাপুর থানার দালাল খ্যাত মৃত আঃ মন্নান মৃধার ছেলে জহিরুল ইসলাম লাল মৃধা দীর্গ দিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে। তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে সে তার কাছে চাঁদা দাবি করে। কিন্তু চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে প্রবাসী স্বামীর কাছে ও এলাকায় তারার বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও আপত্তিজনক কুৎসা রটিয়ে সংসারে অশান্তির সৃষ্টির পায়তারা করতে শুরু করে। এতো কিছুর পরেও কুচক্রি লাল মৃধা তাকে কুপ্রস্তাবে রাজি করতে না পেরে তার আপন ছোট ভাই ফাহাদকে ২/৩ টি মিথ্যা মামলায় জাড়িয়ে হয়রানি করতে শুরু করে। এমন কি প্রায়ই তার ভাড়া বাসার দরজা বাহির থেকে বন্ধ করে রেখে প্রতিনিয়ত হয়রানি করতে থাকে। নিরুপায় হয়ে ফজিলা আক্তার তাকে প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা করে চাঁদা দিয়ে আসলে ল্যম্পট লাল মৃধার অপপ্রচার চালিয়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে তার স্বামি সংসার খরচের টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেয়ায় দুটি শিশু সন্তান নিয়ে পুরো মানবেতর জীবন যাপন করছি। সর্বশেষ গত ১ এপ্রিল গভীর রাতে আমার বাসার দরজা বাহির থেকে বন্ধ করে দিয়ে ডাক চিৎকার দিয়ে লোকজন জড়ো করে। বাধ্য হয়ে ফজিলা আক্তার মিতু রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে এস আই আতিকুর রহমান এসে দরজা খুলে কাউকেই পায়নি। থানা পুলিশের দালাল হিসাবে চিহ্নিত লাল মৃধার এহেন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে থানায় একাধিকবার অভিযোগ করেও পুলিশ কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেয়নি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে এসব ঘটনা উলে­খ করে ২৭ এপ্রিল রাজাপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন। অসহায় পরিবার হিসাবে তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঝালকাঠি পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের উর্ধতন মহলের হস্থক্ষেপ ও সহযোগীতার আবেদন জানিয়েছেন।  লাল মৃধার বিষয়ে রাজাপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহেদ মৃধা জানায়, সে সরকার দলের লোক দাবি করে দিনরাত থানার মধ্যে ও আশে পাশে ঘোরাফেরা করে। অনেক পুলিশ কর্মকর্তার সাথেও তার সখ্যতা আছে বলে সে নিজেই বলে বেড়ায়। তাই তার বিরুদ্ধে সাধারন মানুষ কেউ অভিযোগ করতে সাহষ পায়না। এ ব্যাপারে রাজাপুর থানার এস আই আতিকুর রহমান জানায়, ঐ দিন মোবাইল ডিউটির সময় গভীর রাতে লাল মৃধা ও তার স্বজনরা আমাকে মিতুর ঘরে বহিরাগত লোক আছে বলে জানায়। কিন্তু সামাজিক কারনে এ বিষয়ে তখনই কিছু করার প্রয়োজন আছে বলে মনে না করায় সেখানে যাইনি। আর নিজেকে ড্রেজারের বালু ব্যবসায়ী দাবি করে লাল মৃধা জানায়, মিতুর সাথে আমার বিরোধ একটাই সে অসামাজিক কাজ করে। তার বিরুদ্ধে আমি থানায় জিডি করেছি। এলাকার অন্যকেউ এ ধরনের অভিযোগ করছেনা কেনো এমন প্রশ্নের উত্তরে লাল মৃধা জানান, এলাকার লোকজন আমার সাথেই আছে। তবে থানার পুলিশের সাথে সখ্যতা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।

Need Ads
error: কপি হবে না!