স্টাফ রিপোর্টার : অস্তিত্ব সংকটে পড়া শেরপুর বিএনপিকে চাঙ্গা করতে অবশেষে ২৮ এপ্রিল সোমবার রাতে ঢাকায় দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে । তবে ওই কমিটিতে চেয়ারপাসনের এক উপদেষ্টা এবং স্থানীয়ভাবে দলের দুর্দিনের কান্ডারী বলে পরিচিত এক শিল্পপতিসহ শেরপুর-১ (সদর) ও শেরপুর-২ (নকল-নালিতাবাড়ি) আসনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৪ নেতাকে বাদ দেয়ার ঘটনায় শেরপুরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই দলের নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
জানা যায়, জেলা বিএপির বিবদমান দু’গ্র“পের মধ্যে সমন্বয় এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ নিস্ক্রিয় কমিটি গঠন উপলক্ষে ২৮ এপ্রিল সোমবার দুপুরে প্রথমে নয়া পল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে এবং রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে তার কার্যালয়ে দু‘দফা বৈঠক হয়। শেষ বৈঠকে জেলা বিএনপির বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলকে আহবায়ক এবং বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক আশীষ, সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মজিদ বাদল, সাইফুল ইসলাম স্বপন ও আব্দুল আওয়াল চৌধুরী, প্রয়াত হুইপ জাহেদ আলী চৌধুরীর পুত্র প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা, নালিতাবাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান রিপন ও জেলা বিএনপির প্রয়াত সভাপতি এডভোকেট সাইফুল ইসলাম কালামের পুত্র প্রভাষক মামুনুর রশিদ পলাশকে যুগ্ম আহবায়ক ঘোষণা করা হয়। তবে ওই কমিটিতে নাম আসেনি শেরপুর-২(নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সচিব ব্যারিস্টার এম হায়দার আলীর। এছাড়া সদর আসনে জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী শিল্পপতি আলহাজ্ব মো: হযরত আলী, জেলা বিএনপির বিদায়ী সহ-সভাপতি এডভোকেট তৌহিদুর রহমান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ আব্দুলাহ’র নাম না থাকায় তারা হতাশায় মুষরে পড়েছেন। ওই খবরটি মঙ্গলবার সকালে শেরপুরের দলীয় অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে নব-গঠিত কমিটির আহবায়ক মাহমুদুল হক রুবেল জানান, ৫১ সদস্যের আহবায় কমিটিতে কেবল আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক চূড়ান্ত করা হয়েছে। অন্যদের অবস্থান অনুযায়ী আগামী ৩ দিনের মধ্যে অর্ন্তভূক্ত করা হবে।




