ads

সোমবার , ২১ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সর্ষের মধ্যে ভুত : গায়েব হয়ে যাচ্ছে আটক হওয়া ইলিশ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২১, ২০১৪ ৮:১৫ অপরাহ্ণ

Agailjhara GND Photo. 21-04-14- (1)অপূর্ব লাল সরকার, গৌরনদী (বরিশাল) : বরিশালের কীর্তনখোলা ও মেঘনা নদীসহ হাট-বাজার থেকে আটককৃত জাটকা ইলিশ গায়েব হয়ে যাচ্ছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের নাম করে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে প্রতিরাতেই মাছ আটকের জন্য তল্লাশি চালিয়ে নামিয়ে নিচ্ছে ঝুঁড়ি ঝুঁড়ি ইলিশ। সেইসব ইলিশ প্রকাশ্যেই বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে বলে বিভিন্নসূত্র থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ যাবৎ একাধিক আটক ইলিশের চালান গায়েব করা হয়েছে। কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তারাও ইলিশ গায়েবের সাথে জড়িত রয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

Shamol Bangla Ads

সূত্রমতে, জাতীয় মৎস্য সম্পদ ইলিশ সংরক্ষণে মার্চ ও এপ্রিল দু’মাসে মেঘনায় জাটকাসহ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ক্রয়-বিক্রয় আইনত: দন্ডনীয় অপরাধ বলে ষোষণা করেছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। তারপরেও অধিক মুনাফালোভী জেলেরা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জাটকাসহ ইলিশ শিকারের মহোৎসবে মেতে উঠেছে। তাদের সাথে বাড়তি আয়ের জন্য আটক বাণিজ্যে নেমেছেন মৎস্য অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা ও পুলিশ। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঠিক মনিটরিং না থাকায় সরকারের মহতী উদ্যোগ কোন সুফল বয়ে আনছেনা।
বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১৫ এপ্রিল বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর বিভিন্নস্থানে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও স্পীডবোটে অভিযান চালিয়ে ১২০ কেজি জাটকাসহ দু’জনকে আটক করে কোস্টগার্ড সদস্যরা। এরপূর্বে গত ১২ এপ্রিল ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কাশীপুর নামকস্থান থেকে যাত্রীবাহী বাস থেকে ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ১৬০ কেজি জাটকা ইলিশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে ১০ এপ্রিল বরিশালের তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ঢাকাগামী যাত্রবাহী লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ১২০০ কেজি জাটকা ইলিশ উদ্ধার করে পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এসময় জাটকা বহনকারী চারটি লঞ্চ থেকে বিশ হাজার টাকা জরিমানাও আদায় করা হয়। অপরদিকে ১১ এপ্রিল ভোরে পরিবহনযোগে ১৬০ কেজি জাটকা পাচারের সময় গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশ কুব্বত আলী শেখ নামের এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে আটক করেন। এঘটনার পরই বেড়িয়ে আসতে থাকে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। নগরীর কীর্তনখোলা নদীর চরকাউয়া ফেরী ঘাট এলাকা থেকে ১০ এপ্রিল গভীর রাতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাটকা ইলিশ আটক করা হয়। আটক জাটকাগুলোকে হরিলুটের জন্য ওই রাতেই নগরীর ভাটারখাল কলোনীর জেটিতে আনা হয়। সেখানে বসে মেট্রোপলিটন পুলিশের কতিপয় অফিসার ও কনস্টবলেরা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে সিংহভাগ ইলিশ ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়ে যায়। বাকি ১৬০ কেজি ইলিশ মৎস্য কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতার সহায়তায় মৎস্য ব্যবসায়ী কুব্বত আলী শেখের কাছে বিক্রি করে দেন। এদিকে এলাকার সচেতন মানুষেরা সরকারের মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে হাট-বাজারে জাটকা ইলিশ বিক্রি বন্ধ ও ক্রয়ে বাঁধা সৃষ্টি করলেও এখানে পুরোপুরি বাঁধ সেঁধেছেন বাড়তি আয়ের ধান্ধায় নামা ওইসব অসাধু কর্মকর্তারা। সূত্রমতে, গত ১৮ এপ্রিল সকালে জেলার গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর বাজারে তিনটি ব্যারেলে প্রায় ৬০ কেজি জাটকা ইলিশ বিক্রির সময় এক ব্যবসায়ীকে আটক করে বাজারের স্থায়ী ব্যবসায়ীরা। পরবর্তীতে জব্দকৃত জাটকাসহ আটক ব্যবসায়ীকে থানার এএসআই মকবুল হোসেনের কাছে সোর্পদ করা হয়। মাত্র দশমিনিটের ব্যবধানে পুলিশের ওই কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় কতিপয় সুবিধাভোগীরা। এ সুযোগে জব্দকৃত জাটকাগুলো একই এলাকার আজাহার তালুকদার, এমরান ফকির, জাহাঙ্গীর ঘরামী, মনির হোসেন, ফিরোজ তালুকদার, সেলিম মেম্বারসহ অন্যান্য সুবিধাভোগীরা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এনিয়ে জাটকা আটক ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেয়া উল্লেখিত সুবিধাভোগীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অপর একটি সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চে মাছের চালান আটক অভিযানের সময় তাদের সঙ্গে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ভাড়া করা ব্যক্তি মালিকানার কয়েকটি স্পীডবোট নিয়ে যাওয়া হয়। আটক মাছের চালান নদীতে বসেই পানির দরে বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে অভিযান পরিচালনাকারী ওই চক্রটি। এভাবে প্রায় প্রতিদিন রাতেই আটক ইলিশ লুটপাট হয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মৎস্য আড়তদাররা জানান, সংশ্লিষ্ট মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় অফিসারদের প্রত্যক্ষ যোগসাজসে জাটকা নিধন এবং পাচার বন্ধ হচ্ছেনা। যে কারণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সুফল বয়ে না এনে বরং বদনাম হচ্ছে। এব্যাপারে পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ বলেন, কোন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে তার অফিসে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, আটক ইলিশ এতিমখানা ও গরীবদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তবে বিশেষ একটি সূত্রে জানা গেছে, নদীতে মৎস্য অধিদপ্তর, পুলিশ ও কোস্টগার্ডসহ কয়েকটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছেন। এরমধ্যে মিডিয়া এবং জনসমক্ষে শুধুমাত্র কোস্টগার্ডের অভিযানের আটক ইলিশের স্বচ্ছতা রয়েছে। অন্যসব সংস্থার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের আটক বানিজ্যের কারণে বরিশালের মেঘনাসহ অন্যান্য নদীগুলোতে জেলেরা অবাধে জাটকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরার মহোৎসবে মেতে উঠেছে।

তীব্র তাপদাহ আর বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ঠ

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল। সকাল হতে না হতেই সূর্যের তাপমাত্রা সহ্যসীমা ছাড়িয়ে যেতে শুরু করে। আর সময় গড়িয়ে দুপুর আসতে না আসতেই সেই তাপদাহ রীতিমত অসহনীয় হয়ে উঠেছে। তীব্র তাপদাহে পথচারী থেকে শ্রমজীবী সকল মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার মাঝে একইসাথে গত ৫দিনের অব্যাহত বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন আরো অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. নজরুল ইসলাম জানান, গতকাল দুপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রের্কড করা হয়েছে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। যা চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমের রেকর্ড করা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। তিনি আরো জানান, আকাশে মেঘের কোন আনাগোনা না থাকায় বৃষ্টিপাত হবার কোন সম্ভবনা দেখা যাচ্ছেনা। আর বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত গরম থাকবে। আগামী ২-১ দিনের মধ্যে তাপমাত্রা বেড়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলেও তারা ধারণা করছেন। এদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে প্রচন্ত গরমে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের জনসাধারণের মাঝে এক অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করছে। দিনের প্রচন্ড তাপদাহে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। এরমধ্যে শ্রমজীবীদের অবস্থা একেবারেই নাজুক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অপরদিকে প্রচন্ড তাপদাহের সাথে পাল্লা দিয়ে গত ৫দিন থেকে গোটা বরিশালে অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনজীবন আরো অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। আর এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পরেছে এইচএসসি, আলিম ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীরা। অব্যাহত লোডশেডিং-এর কারণে তাদের পড়াশোনায় চরম ভাবে বিঘœ ঘটছে। জানা গেছে, বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন গৌরনদী জোনাল অফিস থেকে সরবরাহকৃত গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, বাবুগঞ্জ, মুলাদী ও উজিরপুর উপজেলায় গত ৫দিন থেকে দিনে ও রাতে বিনা নোটিশে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনজীবনে আরো বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদ্যুৎ নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা আরো করুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গৌরনদীতে এক রাজাকারের নানান ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে একাধিক পরিবার

Shamol Bangla Ads

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোরের রাজাকার মানিক রাঢ়ী নানা চক্রান্ত্রের শিকার তার ছোট ভাইয়ের বিধবা স্ত্রী চৌধূরী সুলতানা শাহিদা ও প্রতিবেশী ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের পরিবার। অভিযোগে জানা গেছে, বিধবা সুলতানার সম্পত্তি ও ঢাকার বাড়ি আত্মসাৎ করার জন্য মানিক রাজাকার ও তার ছেলেরা মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তাকে নানাভাবে হয়রানি করছে। তারা একইভাবে প্রতিবেশী মনিরুজ্জামানের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করছে ওই পরিবারের সদস্যদের।
গতকাল দুপুরে ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান গৌরনদী প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ করেন, ২০০৫ সালে তিনি মানিক রাজাকারের ছোটভাই মালেক রাঢ়ীর কাছ থেকে তিনি ও তার ছোটভাই আল মামুন ৭৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এর মধ্যে ৪১ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখল করে নেয় মানিক রাজাকার ও তার পুত্ররা। স¤প্রতি ওই জমি দখল মুক্ত হলে তারা নুতন করে চক্রান্ত্রে লিপ্ত হয়। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটায়। অপরদিকে ছোট ভাই মালেক রাঢ়ীর বিধবা স্ত্রী চৌধুরী সুলতানা অভিযোগ করে বলেন, আমার কোন সন্তান নেই। আমরা ঢাকায় বসবাস করি। তাই আমার স্বামীর বাটাজোরের জমিজমা তার বড়ভাই মানিক রাঢ়ী ও তার পুত্ররা ভোগ করতেন। কয়েক বছর আগে আমার স্বামীর ২টি কিডনী নষ্ট হয়ে গেলে তার চিকিৎসার জন্য প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয়। ওই সময় তিনি নিজের জমি বিক্রি করতে চাইলে জমি বিক্রিতে তার ভাই ও ভ্রাতুষ্পুত্ররা বাঁধা প্রদান করেন। ওই সময় তারা আমার স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে জমি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। ফলে বিনা চিকিৎসায় আমার স্বামী মারা যায়। বর্তমানে আমার নিজের নামে ক্রয়কৃত ঢাকার বাসাবাড়ি দখলের জন্য তারা আমার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমাকে হয়রানি করছে। বাটাজোরের কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয়দের অভিযোগ, মানিক রাঢ়ী এলাকার কুখ্যাত রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী। তার প্রত্যক্ষ মদদে ১৯৭১ সালে পাক সেনারা বাটাজোরের বহু নিরীহ লোককে মরার ভিটায় নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। এছাড়া অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছিল বহু হিন্দুদের ঘরবাড়ি। একারণে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মানিক রাজাকার এলাকা ছেেেড় বগুড়ায় পালিয়ে গিয়ে গোপনে আরো একটি বিয়ে করেন। কয়েক বছর আগে সে এলাকায় ফিরে আসে এবং নিজেকে পীর পরিচয় দিয়ে মহাদাপটের সাথে চলাফেরা করছে। এদিকে তার ২য় বিয়ের খবর এলাকার কেউ না জানলেও কয়েক বছর আগে তার ২য়া স্ত্রী তার ৩ কন্যাকে নিয়ে বাটাজোর এলাকায় এলে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মানিক রাজাকার তার ২য়া স্ত্রী ও সন্তানদের নিজের বাড়িতে আশ্রয় দেয়নি। নিরুপায় হয়ে তারা এলাকাবাসীর সহায়তায় তার বাগানের মধ্যে খুপ্ড়ি বানিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অভিযোগ অস্বীকার করে মানিক রাঢ়ী বলেন, আমার বৈধ সম্পত্তি রক্ষা করায় প্রতিপক্ষরা মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছে।

গৌরনদীতে সেই ৪ স্কুল ছাত্রকে পরীক্ষা দিতে দেয়নি শিক্ষকরা

বরিশালের গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই গ্রæপ ছাত্রের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ৪ ছাত্রকে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হয়নি। ৯ম শ্রেনীর ওই ছাত্ররা অভিযোগ করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শনিবার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের আর স্কুলে আসার দরকার নেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. অলিউল্ল¬াহ জানাস, প্রাথমিক শাস্তি হিসেবে তাদের পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়া হচ্ছেনা।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টায় বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণীর ছাত্র জিহাদ মিয়া বিদ্যালয়ের দোতলায় বসে সিগারেট পান করে। এসময় ১০ম শ্রেণীর ছাত্ররা সিগারেট পান করায় জিহাদকে মারধর করে। এর জবাবে ১০ম শ্রেণীর ছাত্র আকিব সরদারকে মারধর করে জিহাদ অনুসারীরা। ওই ঘটনার পর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দুই গ্রæপ ছাত্রের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তাতে যোগ দেয় ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীও। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন ছাত্র-শিক্ষক আহত হয়। এঘটনায় সহকারী শিক্ষক শক্তি বিশ্বাস ৯ম শ্রেনীর ছাত্র রাব্বি শিকদার ও টিটু মিয়াকে বেধরক বেত্রাঘাত করে। সংঘর্ষের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রাব্বি শিকদার, টিটু মিয়া, শাকিল হাওলাদারসহ ৪জনকে গণিত পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। সংঘর্ষের ঘটনায় অনেকেই জড়িত থাকলেও শুধু ৪জনকে কেন পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ এবিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে অভিভাবক ও সচেতন মহলকে। অভিযুক্তরা জানায়, সহকারী শিক্ষক শক্তি বিশ্বাস সরাসরি এ ঘটনায় পক্ষপাতিত্ব করেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!