রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর পদ্মায় গোসল করতে নেমে মনির (১০) নামের এক ৪র্থ শ্রেনীর স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সে আলাইপুর নাপিত পাড়া এলকার রয়েজ উদ্দীনের ছেলে। পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮ এপ্রিল শুক্রবার বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে নদীতে গোসল করতে নামে মনিরসহ ৬/৭ জন যুবক। এরপর হঠাৎ মনির নদীতে ডুব দিয়ে আর উঠেনা। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা নদীতে নেমে অনেক খোঁজাখুজির এক পর্যায় ৩০ মিনিট পর ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে বাঘা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আর কোনদিন ক্রিকেট খেলবে না বাবা-মায়ের অবাধ্য ছেলে শিমুল
গ্রামের দোকান থেকে বাজার করার জন্য শিমুলকে হুকুম করেছিলেন,তার মা জবেদা। কিন্তু মায়ের হুকুম পালন না করে সে বের হয় ক্রিকেট খেলার জন্য। শিমুলের বাবা শহিদুল কাজ শেষে বাড়ীতে আসার পর এ অভিযোগ করে তার মা। পরে বাবা-মা দু’জনেই খেলার মাঠে গিয়ে শিমুলকে শাসন করেন তারা। বাবা-মায়ের শাসন থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় খায়ের হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র শিমুল। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় পাশের একটি আমগাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করে। তার বাড়ী উপজেলার মদিপুর গ্রামে।
স্থানীয় আবুল হোসেন জানান,সঙ্গে সঙ্গে তাকে বাঘা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কতব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শিমুল। বাঘা হাসপাতালে চিকিৎসক ডাক্তার নূরল ইসলাম জানান, জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুর রহমান জানান,এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাননি তিনি।




