মেহের আমজাদ, মেহেরপুর : বাউল সম্রাট লালনের ও তার গানের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে চাই লালন সাধকেরা। সাধুর চরণধুলি আর সান্নিদ্ধ নেয়ার জন্য মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামে বাউল সম্রাট লালন শাহ স্মরণে শেষ হলো দু’দিন ব্যাপি লালন স্মরণোৎসব। বিভিন্ন জেলা থেকে লালন সাধকেরা ছুটে আসে এ স্মরণোৎসবে।
লালনের আধ্যাত্বিকতা ছড়িয়ে দেবার লক্ষ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামে গুরু অনিল সাধুর আশ্রমে প্রতি বছরেই আয়োজন করা হয় বাউল সম্রাট লালন শাহ্ স্মরণে লালন স্মরণোৎসব। ২২ মার্চ শনিবার থেকে ২৩ মার্চ গতকাল রোববারে ১০ম বারের মত শেষ হল এই লালন উৎসব। বিভিন্ন জেলা থেকে লালন ভক্ত, বাউল গবেষক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যোগ দেয় এ বাউল উৎসবে। মানব ধর্মের সেবা এবং লালনের রেখে যাওয়া আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য তারা বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসেন এখানে।
লালন ভক্ত শৈলেন হালদার জানান, লালন মহান বাউল সম্রাট। তার জ্ঞানকে ধারন করে পথ চলার জন্য আমারা প্রতিবছরই লালন উৎসবে ছুটে আসি।
লালন ভক্ত আব্দুল মালেক ফকির জানান, লালনের জ্ঞান ও গানের তত্ব ধরে রাখার জন্য আমরা লালনের সাধনা করি।
লালন শিল্পি আলামিন দেওয়ান জানান, লালনকে ভালোলাগার কারনে আমি লালনের গান গায়। লালনের গান নিয়ে এখন বাংলাদেশসহ দেশের বাইরেও গানের তাৎপর্য নিয়ে গবেষনা করা হচ্ছে।
লালন শিল্পী মুক্তি পারভীন জানান, লালনের কথা এবং গানের তাৎপর্যের মাধ্যমে মানুষকে সঠিক পথ দেখায়। লালনের গান সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে দেশসহ দেশের বাইরে আমি লালনের গান গেয়ে তার জ্ঞানতত্বকে ছড়িয়ে দিচ্ছি।
মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামের মায়ের দোয়া শান্তি আশ্রম কেন্দ্রের উদ্যোক্তা অনুকুল সাধু জানান, ১২ বছর ধরে লালনের এই অনুষ্ঠান করে আসছি। গুরুর কৃপা এবং সান্নিদ্ধ লাভ করার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে লালন ভক্তরা ছুটে আসে।
মেহেরপুর চাঁদবিল গ্রামের মায়ের দোয়া শান্তি আশ্রম কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর রফিক- উল-আলম জানান, কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়া লালনের উৎসবের পরেই চাঁদবিলে তার স্বরণোৎসব হয়ে থাকে। একাধারে তিনি লালন সাঁই, লালন ফকির, বাউল সম্রাট, যিনি নিজেই গীতিকার নিজেই সুরকার। লালনের দেহতত্ব, ভাবতত্বসহ তার সমস্ত জ্ঞান সমন্ধে জানার জন্য ভক্তরা এখানে ছুটে আসে।
মেহেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামী ৫ এপ্রিল পালন উপলক্ষে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেহেরপুর সিভিল সার্জন অফিসের উদ্যোগে গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে মেহেরপুর সিভিল সার্জন অফিস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান। কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিক-উল আলম ও বিটিভি’র মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি আলামীন হোসেন। এসময় কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার মেহেরপুর সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
গরু মোটাতাজা করণ প্রকল্পে মেহেরপুরে আর আর এফ’র ঋণ বিতরণ
রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আর আর এফ) মেহেরপুরের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর আওতায় গরু মোটাতাজা করণ প্রকল্পেরর জন্য মেহেরপুর জেলায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। মেহেরপুর জেলার আর আর এফ’র ১১টি শাখা থেকে ওই টাকা বিতরণ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
গতকাল রোববার বেলা ১০ টায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরু মোটা তাজা করণ প্রকল্পের ঋণ বিতরন এর উদ্বোধন করেন আর আর এফ’র আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক গৌতম কুমার দাস। এসময় মেহেরপুর সদরের আর আর এফ’র ম্যানেজার অমিত কুমার ঘোষ, ম্যানেজার মোকছেদ আলী, ইউনিট হিসাব রক্ষক জামান উদ্দিন, হাসান সর্দ্দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী দিনে ৭৫ জনের মধ্যে ১৩ লাভ টাকা ঋণ বিতরন করা হয়।
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মেহেরপুরের সাংবাদিক সৈয়দ আমিনুল ইসলাম

মেহেরপুরের প্রবীণ সাংবাদিক ও আইনজীবী সৈয়দ আমিনুল ইসলাম চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন। গতকাল রোববার বেলা ১০ টায় মেহেরপুর হোটেলবাজার জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে তার নামাজে জানাজা শেষে সরকারি কলেজ মোড়স্থ পৌর কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, আইনজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় প্রবীণ সাংবাদিক ও আইনজীবী সৈয়দ আমিনুল ইসলাম মেহেরপুর শহরের ঘোড়পাড়াস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহ্-ী– রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬১ বছর। তিনি স্ত্রী, একপুত্র ও ২ কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মেহেরপুরে রেডিয়াস কোচিং এর ত্রিমাসিক পূর্ণাংগ মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু
মেহেরপুরে রেডিয়াস কোচিং এর ত্রিমাসিক পূর্ণাংগ মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল থেকে মেহেরপুর হোলি পাবলিক প্রি-ক্যাডেট অ্যান্ড জুনিয়র হাই স্কুলে অবস্থিত কোচিং সেন্টারে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জেএসসি, পিএসসি ও ৪র্থ শ্রেণির ৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী এ পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে। হোলি পাবলিক প্রি-ক্যাডেট অ্যান্ড জুনিয়র হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আফতাব আহমেদ ও প্রিন্সিপাল নাসরিন আক্তার পরীক্ষা পরিদর্শন করেন। প্রশিক্ষক আরিফুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, সোহেল রানা, সুমনা প্রমুখ এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।




