রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : কক্সবাজারের রামুতে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম রাবার বাগানের বেদখলীয় বেশক’টি স্থাপনা বৃহস্পতিবার অবশেষে উচ্ছেদ করা হয়েছে। রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক মো. আইয়ুব আলীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি জানান, বাগানের সর্বমোট ২৭০০ একর জায়গা থাকলেও ৩০০ একর পর্যন্ত বেদখলে রয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে ৩০ একর পর্যন্ত বাগানের জায়গা উদ্ধার করা হয় । তিনি আরো জানান, চিহিৃত ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ১২টি মামলা দায়ের করা হয় ।
রামুতে হত্যা মামলার অগ্রগতি নেই, ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

কক্সবাজারের রামুতে ইট ভাটায় দু’মাস পূর্বে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে হামলায় নিহত হাবিব উলাহ হত্যা মামলার অগ্রগতি নিয়ে শংকায় রয়েছেন নিহতের পরিবার। প্রভাবশালীদের প্রভাবে পুলিশের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেফতারে কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না । এতে আতংক, উৎকন্ঠা ও চরম হতাশায় রয়েছে দরিদ্র ফরিদুল আলমের পরিবার।
জানা গেছে ২ ফেব্র“য়ারি’১৪ রামু সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় অবস্থিত জিএম কে ব্রিক ফিল্ডে কর্মস্থলে তুচ্চ ঘটনার জের ধরে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মধ্যম মনিরঝিল গ্রামের মো. ফরিদুল আলমের ছেলে হাবিব উলাহ (২০) । এঘটনায় রামু থানায় নিহতের বাবা ফরিদুল আলম বাদি হয়ে ঘটনার সাথে জড়িত ৭ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে।
বাদির অভিযোগ, মামলা দায়ের করার ৭০ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে আসামি আটকের ব্যাপারে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে বাদীর মনে বিভিন্ন ধরনের শংসয় দেখা দিয়েছে এবং পুলিশ নিস্ক্রিয় থাকার করনে ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে আশঙ্কাবোধ করছে বাদী ও তার পরিবার। এব্যাপারে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামু থানার এসআই মশিউর সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
রামুতে অবহিতকরণ সভা
আচরণবিধি লংঘন হলে কঠোর ব্যবস্থা

কক্সবাজারের রামু উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে আচরন বিধি সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা বুধবার (১২ মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মাসুদ হোসেনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নির্বাচন-পূর্ব সময় ও নির্বাচনের দিন পর্যন্ত নির্বাচনী আচরনবিধি সম্বন্ধে আলোকপাত করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী – প্রচারনার সময় দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত, পথসভা ও ঘরোয়া সভা ব্যতীত কোন জনসভা বা শোভাযাত্রা করতে পারবেনা। পোষ্টার সাদা-কালো রঙের হতে হবে এবং আয়তন ২৩ ইঞ্চি*১৮ ইঞ্চি এর অধিক হতে পারবেনা। পোষ্টারে কোন অনুষ্ঠান বা মিছিলে নেতৃত্বদান, ধর্মীয় প্রার্থনারত অবস্থা, ইত্যাদি ভঙ্গিমায় ছবি ছাপানো যাবে না। কোন প্রার্থীই নিজ ছবি ও প্রতীক ব্যতীত অন্য কাহারও নাম, ছবি বা প্রতীক ছাপাইতে বা ব্যবহার করতে পারবেনা। মিছিল, যানবাহন সহকারে মিছিল কিংবা মশাল মিছিল বের করা যাবেনা বা কোনরূপ শো-ডাউন করা যাবেনা। প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী পাঁচটির অধিক নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করতে পারবে না। ক্যাম্প বা অফিসে কোন টেলিভিশন, ভিসিআর, ভিসিডি, ডিভিডি,ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারকার্যে প্রার্থী এবং তার নির্বাচনী এজেন্ট একটির অধিক যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেনা। নির্বাচনী প্রচারনায় দেওয়াল লিখন, বিলবোর্ড ব্যবহার,তোরণ বা ঘর নির্মাণ, প্যান্ডেল বা ক্যাম্প স্থাপন ও আলোকসজ্জাকরণ, খাদ্য পরিবেশন, উপঢৌকন, ইত্যাদি প্রদান সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ রয়েছে। কোন প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারণাকালে যে কোন মাধ্যমে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে বা কোন ধরনের তিক্ত বা উস্কানিমূলক বা মানহানিকর কিংবা লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে এইরূপ লিখিত বা অন্য কোন প্রকার বক্তব্য প্রদান করতে পারবেনা। ধর্মীয় উপসনালয়ে প্রচারনা সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী আচরন বিধি লঙ্গনের নানা কারন, অপরাধ ও শাস্তি সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনা হয়।




