এম, এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারী জেলার চিলাহাটিতে এক অসহায় মেয়েকে ধর্ষন করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধর্ষক এলাকাবাসীর হাতেনাতে ধরা পড়ে। নীলফামারী জেলার চিলাহাটির ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের খানকাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ধর্ষকের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে স্থানীয় মাতব্বরদের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে রফাদফা করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে তদন্তকালে জানা যায়, আব্দুল সামাদ এর লম্পট পুত্র চিলাহাটি সোনালী ব্যাংকের স্বনির্ভর শাখায় কর্মরত সাবু (২৩) একই এলাকার প্রতিবন্ধী আব্দুল মজিদ এর কন্যা মাজেদা (১৭) সাথে দীর্ঘদিন থেকে মন দেয়া-নেয়ার সর্ম্পক গড়ে উঠে। এরই প্রেক্ষিতে মাজেদাকে বিয়ের আশ্বাসে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষন করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী সাবুকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।
উক্ত ঘটনাটির সুষ্ঠ সমাধান না করে স্থানীয় মাতবররা রফাদফা করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে,আরেক মাতব্বর আবু কালাম (জমদ্দী) রাগান্বিত কন্ঠে বলেন, সাংবাদিকদের টাকা দিলেই মুখ বন্ধ করা যায়,আর সাংবাদিকরা কিছুই করতে পারবেনা। এই আবু কালাম (জমদ্দী) চেয়ারম্যান নন, ইউপি সদস্যও নন, নন কোন প্রশাসনের লোকও। অথচ বিভিন্ন বিচার শালিসে তিনি মাতব্বরের ভূমিকা পালন করেন। এ ব্যাপারে চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আাইসি সিরাজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন,এ ধরনের ঘটনার বিষয়ে আমি জানি না। এদিকে ধর্ষিতা মাজেদা বলেন, সাবুর সাথে বিয়ে না হলে আমি আত্মহত্যা করবো।
সৈয়দপুরে আপত্তিকর অবস্থায় কপোত-কপোতি আটক
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের নিমবাগানে একটি বাসা থেকে আপত্তিকর অবস্থায় একজোড়া কপোত- কপোতিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাতে। এলাকাবাসী জানায়, ওই রাতে নিমবাগানের মনজের আলীর পুত্র প্যারা মেডিকেল ছাত্র মশিউর রহমানকে (১৮) তার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় এক তরুণীসহ আটক করে। আটক ওই তরুণী সৈয়দপুর আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাসা বাঙালিপুরের নিজপাড়ায়। সে মশিউর রহমানের প্রেমিকা বলে দাবি করেছে। পরে খবর দিলে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি রফাদফা হয়েছে।




