এম লুৎফর রহমান নরসিংদী : মাত্র ৩ দিনের মাথায় প্রথম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী রিক্সাচালক আজগর আলীর সাত বছরের শিশু কন্যা স্বর্ণা হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে নরসিংদীর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই ফিরুজ আহমেদ মুন্সি।

জানা যায়, ৫ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টার নরসিংদী সদর উপজেলার বালুসাইর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী স্বর্ণা স্কুল থেকে বাড়ী ফেরার পথে হারিয়ে যায়। ঔদিন দিবাগত রাতেও তাকে খোজাখুজি করে কোথাও পাওয়া যায়নি। পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে আটটার দিকে আজগর আলীর বাড়ীর পার্শ্বে একটি ডোবায় শিশু স্বর্ণার মৃতদেহ পাওয়া যায়। মৃতদের গলায় কালছে দাগ এবং ঘার ভাঙ্গা অবস্থায় ছিল। নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ খালেদের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ফিরুজ আহমেদ মুন্সি, এসআই মোঃ সেলিম হোসেন সংগীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান চালিয়ে একই বাড়ীতে বসবাসরত আলেয়া বেগম (২৪), তার স্বামী ইয়াকুব, মৃত হাসেমের মেয়ে মালেকা বেগম (২৪) কে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মালেকা বেগমের স্বীকারোক্তি মতে মৃত স্বর্ণার কানে থাকা দুইটি সোনার কানের রিং শিবপুর মডেল থানার কারারচর গ্রামের জনৈক জহিরুল ইসলামের বাড়ী থেকে উদ্ধার করে আসামী ও আলামত হেফাজতে নেয়। মুলত আসামীরা এবং বাদী একই বাড়ীতে আলাদা ঘরে বসবাস করতো। তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শক্রতার সূত্রপাত হয়। এ কারনে স্বর্ণাকে হত্যা করা হয়। গতকাল রবিবার নরসিংদীর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রেসব্রিফিংয়ে এ হত্যাকান্ডের বর্ণনা দেন পুলিশ সুপার ড. খ. মহিদ উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ খালেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোখলেছুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেল একেএম জহিরুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা।




