তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরে প্রতিবেশীর অত্যাচারে যুবলীগের নারী নেত্রী অসহায় হয়ে বাড়ি ভিটে ছেড়ে অন্যত্র সরে যাবার ঘটনা নিয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। গতকাল সোমবার পত্রিকায় এসংক্রান্ত এক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ঘটনাটি পরিদর্শন করা হয়। এসময় আশপাশের স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে গোপনে ও প্রকাশ্যে তদন্ত করে মামলার সত্যতা নিয়ে সঠিক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গ, তানোর পৌর এলাকার আমশো গ্রামের ওয়ার্ড যুবলীগের নারী সম্পাদিকা নাসিমা বেগম প্রতিবেশী সামসুল নাহার নামের এক নারীকে মারধরের ঘটনা নিয়ে স্বাক্ষী দেওয়ায় আলতাব নামের একব্যক্তি প্রতিহিংসা মূলক আক্রোশের বসবর্তী হন। এরই সূত্র ধরে নাসিমা বেগমের ছেলে আশিক ও তার মা সখিনা বেওয়াকে বেশ কয়েকদিন আগে মারপিট করা হয়। এনিয়ে নাসিমা বেগম বাদি হয়ে ঘটনার দিন থানায় এনজিআর মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত হতে জামিনেমুক্ত হয়ে প্রতিবেশী আলতাব, আনসার ও তার লোকজন গত জানুয়ারী মাসের ৩১ তারিখে নাসিমার বাড়িতে গিয়ে হামলা করে তার বাড়ির বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর করে গরু বিক্রির ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয় বলে দাবি করেন নাসিমা।
এঘটনা নিয়ে নাসিমা বাদী হয়ে প্রতিবেশী আলতাব ও আনসারসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে তানোর থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আলতাব ও আনসার বাদি নাসিমাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে রাতের বেলায় বাড়িতে ইট ও ঢিল ছুড়ছেন। এঅবস্থায় নাসিমা তার এসএসসি পরিক্ষার্থী ছোট বোন আয়শা ও মা সখিনাকে নিয়ে নিজ বাড়ীতে থাকতে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ভিটে মাটি ছেড়ে অন্যত্র সরে যাবার পথ খুজছেন।
নাসিমার উপর এমন অত্যাচারের ঘটনা গতকাল সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন তদন্ত শেষে মোবাইল ফোনে স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, থানায় আলোচিত মামলাগুলো পুলিশের উধ্বর্তন কর্মকর্তারা রুটিং মাফিক তদন্ত করে থাকেন। সেই রুলস্ মোতাবেক নাসিমার মামলা গতকাল সোমবার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।




