ads

শুক্রবার , ২৪ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পেকুয়ায় গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ১৭ দিনপরও আসামীরা ধরাছোয়ার বাইরে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ২৪, ২০১৪ ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ১৭ দিনপরও আসামীরা ধরাছোয়ার বাইরে

এম.আবদুল্লাহ আনসারী,পেকুয়া (কক্সবাজার): কক্সবাজারের পেকুয়ায় জসিম উদ্দিন নামক এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও এ মামলার আসামীরা এখনো পুলিশের ধরাছোয়ার বাইরে বাইরে নিহত জসিমউদ্দিনের অসহায় পরিবারের লোকজনকে মামলা তুলে নিতে অব্যাহত হুমকি দেয়ায় বিচার না পাওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছে। জানাযায়, জানা যায় ৭ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় উপজেলার টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি ভেলুয়া পাড়া এলাকার মাহামুদুল হকের ছেলে জসিমউদ্দিনের গলাকাটা লাশ তার বসত বাড়ী থেকে এক কিলোমিটার দূরে রাস্তার পাশে মিয়াজিঘোনা বিল থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজন লাশ দেখে পেকুয়া থানায় খবর দিলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান ও এস আই মকবুল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে দাফন করা হয়। স্থানীয়সূত্রে জানায় সে সোমবার রাতে স্থানীয় এক অনুষ্টান দেখে বাড়ী ফেরার পথে অজ্ঞাতনামা দূর্বৃত্তরা তাকে শরীরের বিভিন্ন অংশে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে নৃশংসভাবে গলা কেটে জবাই করে হত্যা করে রাস্তার পাশে জমিতে ফেলে চলে যায়। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানাগেছে নিহত জসিমের সাথে তার চাচাত ভাই তারেকের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকবার মুখোমুখি সংঘর্ষ ও বাকবিতন্ডা হয়। জসিমের হত্যাকান্ডের ব্যাপারে তার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে গুঞ্জণ ওঠে। ঘটনার পর থেকে তারেক পলাকত থাকায় লোকজনের মনে সন্দেহ আরো ঘনিভূত হয়। সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে নিহত জসিম উদ্দিনের পিতা বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে ওই দিনই হত্যা মামলা দায়ের করে ওই মামলা নং-০৩ তারিখ ৭/০১/১৪ ইং। মামলার তদন্তভার দেয়া হয় পেকুয়া থানার এস.আই মকবুলকে পরে ২২ জানুয়ারী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নিলূ বড়–য়াকে দেয়া হয়। মামলার পূবকার তদন্ত কর্মকর্তা মকবুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনার ক্রু উদঘাটনের চেষ্ঠা চলছিল কিছুটা অগ্রসর হওয়ার পর তদন্তকর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়। বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনার ক্রু উদঘাটনের অপ্রাণ প্রচেষ্ঠা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় প্রতিক্রিয়ায় পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান এটিকে পরিকল্পিত হত্যা কান্ড উল্লেখ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষনা দিলেও ঘটনার ১৭ দিন পরও এখনেঅ এ নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত দূর্বৃত্তদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

Need Ads
error: কপি হবে না!