ads

শনিবার , ১৮ জুলাই ২০২৬ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে শহরের ভাগাড় এবার রূপান্তরিত হচ্ছে নান্দনিক ‘আকাশলীনা’ পৌর উদ্যানে

জুবাইদুল ইসলাম
জুলাই ১৮, ২০২৬ ৯:০৩ অপরাহ্ণ

একসময় শেরপুর পৌরসভার গৃর্দানারায়ণ এলাকায় ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের পাশেই আমনকুড়া বিলে ফেলা হতো শহরবাসীর ময়লা-আবজর্না। তখন ময়লার দুর্গন্ধ আর মশা, মাছির অত্যাচারে ওই সড়কে চলাফেরা হয়ে উঠেছিল এক যন্ত্রণার নাম। তবে দীর্ঘদিন পর ওই ভাগাড় ও ময়লা-আবর্জনার ডাম্পিং এর জায়গাটিকে নানা ফুলফল, রং বর্ণে গাছে দিয়ে সাজানো হচ্ছে। শেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে এই স্থানটিকে সুন্দর, ছায়া সুনিবির বৃক্ষের এক সমারোহে পরিণত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই একর জমির উপর এই বিলে রোপন করা হচ্ছে ফলদ, বনজ ও ওষুধিসহ ৬ শতাধিক গাছের চারা। এর রক্ষণাবেক্ষণসহ যাবতীয় সৌন্দর্যবর্ধনের কাজটি করে যাবে শেরপুর পৌরসভা।

Shamol Bangla Ads

১৮ জুলাই শনিবার দুপুরে শেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে ওই স্থাপনে বৃক্ষ রোপণের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। ওইসময় তিনি জীবনানন্দ দাসের বিখ্যাত কবিতা ‘আকাশলীনা অনুসারে ওই স্থানের নাম দিয়েছেন আকাশলীনা পৌর উদ্যান। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই স্থানটিতে নাম দেয়া হয়েছে ‘আকাশ নীলা’। এখানে গাছ লাগিয়ে স্থানটিকে আকর্ষণীয় করা হবে। স্থানটি গাছ, ফুল, ফল, ছায়া, পাখির কলরবে মুখরিত হবে। এতে করে প্রাণ ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

বৃক্ষরোপণ উদ্বোধনকালে পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আবু লায়েছ মো. বজলুল করিম, সহকারী প্রকৌশলী মো. খোরশেদ আলমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই আমনকুড়া বিলটি পঁচা নর্দমা হিসেবে ছিল। এখন থেকে এই জায়গাটি আমনকুড়া আকাশলীনা হিসেবে পরিচিত হবে। এই জায়গাটি ঔষধি, ফল ও ফুলের গাছে দৃষ্টিনন্দন করা হবে। এই উদ্যান নির্মাণের মাধ্যমে একটি অপরিচ্ছন্ন ও অবহেলিত স্থানটি সবুজ, মনোরম ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপ নেবে। এটি শুধু শেরপুর শহরের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করবে না, বরং নাগরিকদের বিনোদন, সুস্থ অবসরযাপন ও পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর জন্য একটি আধুনিক উন্মুক্ত স্থান হিসেবে গড়ে উঠবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!