আসন্ন চীন সফরে বাংলাদেশ নতুন করে বড় ধরনের বিনিয়োগের আহ্বান জানাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। এছাড়া চীন সফরে দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আশা করছে ঢাকা। ২০ জুন শনিবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পররাষ্ট্রসচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সফরে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে চীনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিশেষ অনুরোধ জানানো হবে। চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভগুলোকেও স্বাগত জানায় ঢাকা। এতে অংশ নেয়ার বিষয়ে সফরের পরেই জানানো সম্ভব হবে বলেও জানান সচিব। সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্রসচিব বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে ২১ থেকে ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়ালালামপুর সফর করবেন। তিনি রবিবার মালয়েশিয়া সফরে যাবেন। তিনি জানান, মালয়েশিয়া সফরে দেশটির শ্রমবাজারে আরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রবেশ সহজ করার চেষ্টা করা হবে। তবে, তাদের দেশটির নিজস্ব রিভিউ শেষ হলেই, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।

এছাড়া আসিয়ানের সদস্য হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে সমর্থনে মালয়েশিয়াকে অনুরোধ জানানো হবে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও রাজার সঙ্গে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও তার বৈঠকের কথা রয়েছে।
ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া ও চীন সফর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরের জন্য ভারত ও চীনকে এড়িয়ে তৃতীয় একটি দেশকে বেছে নেয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছে।




