জাতীয় সংসদের সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা সংক্রান্ত ধারা বিলুপ্ত করে একটি বিল পাস হয়েছে। রোববার সংসদের বৈঠকে ‘দ্যা মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেম্যুনিউরেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার ১৯৭ সংশোধন’ বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব ছিল না। কোনো আলোচনা ছাড়া বিলটি সংসদে পাস হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনটির সংশোধনী অনুমোদন করা হয়। বিলে পাসের মাধ্যমে বিদ্যমান আইনের ৩সি ধারা বিলুপ্ত করা হয়েছে। এ ধারায় বলা ছিল, একজন সদস্য তার পুরো মেয়াদকালে শুল্কমুক্তভাবে (মূল্য সংযোজন কর), উন্নয়ন সারচার্জ এবং আমদানি পারমিট ফি ব্যতীত সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিবরণ ও শর্ত অনুযায়ী একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন।
সর্বশেষ আমদানির তারিখ থেকে পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর আরেকটি নতুন গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন। এই সংসদ গঠনের পরপরই সরকারি দল ও বিরোধী দল থেকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল তারা কেউ শুল্কমুক্ত গাড়ি নেবেন না।

বিশেষ কমিটি গঠন
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে সুপারিশ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে সংসদ। গত বৃহস্পতিবার বিরোধী দলীয় নেতার প্রস্তাবে এই গঠনের বিষয়ে একমত হন। সেদিনই সরকারি দল ও বিরোধী দল ৫ জন করে ১০ সদস্যের নাম প্রস্তাব করা হয়। রবিবার সংসদের বৈঠকে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। পরে প্রস্তাবটি সংসদে পাস হয়। এই কমিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ দিন।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- জ্বালানীমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, সরকারি দলের সদস্য মঈনুল ইসলাম খান, বিরোধী দলের সদস্য সাইফুল আলম, নুরুল ইসলাম, মো. আব্দুল বাতেন, আবুল হাসনাত ও মোহাম্মদ আবুল হাসান।




