জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শুরুতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়ার আশা করেছেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা।

১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষ রয়েছে। মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার আজ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন বিএনপি মনোনীত সাবেক তিনবারের এমপি ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সমর্থিত মিজানুর রহমান। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই।
এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপকসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী কাজ করছে। পুরো জেলায় ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্য ও ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

এ আসনের দু’টি উপজেলায় ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১১৫০ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
উল্লেখ্য, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়।




