শুনেন শুনেন দেশবাসী, জ্ঞানী-গুণীজন
বেসরকারি শিক্ষকগণের দুঃখের বিবরণ,
৯৭ ভাগ শিক্ষা দেশে প্রদান করেন যারা
পেটের চিন্তায় সারা বছর থাকেন দিশেহারা।
বেতন জুটে অতি অল্প,পায় না সময়মতো
অনুদানের টাকায় চলে ধানাইপানাই যতো,
মাসের শেষে চেয়ে থাকেন তীর্থের কাকের মতো
কর্তাগণের আরামের ঘুম লম্বা হবে কত?
তিরিশ দিনের মাস হামেশাই চল্লিশ দিনে গড়ায়
মনে হয়, সব দেখভাল করেন শতবর্ষী মরায়,
তারপর টাকা ব্যাংকে এলে ছিঁড়েন চেকের পাতা
ততদিনে সুদীর্ঘ হয় দোকান-বাকীর খাতা।
টাকা তুলে ঋণ শোধ করতেই পকেট আবার খালি
সস্তা দামের বাজার দেখে বউয়ের মুখে কালি,
এতো কমে হয় না পূরণ ছেলে-মেয়ের দাবি
বলেন দেখি,শিক্ষকগণের কোথায় সুখের চাবি?
হাজার টাকায় ভাড়া বাড়ি কোথায় পাওয়া যায়
কোন ডাক্তারে চিকিৎসা দেয় পাঁচশত টাকায়,
ডাক্তারের ফি পাঁচশো হলেও সঙ্গে কতক টেস্ট
এরপর বলুন,ওষুধের দাম থাকবে নাকি রেস্ট?
উৎসব ভাতা পঁচিশ পার্সেন্ট ছিলো দীর্ঘদিন
সংগ্রাম শেষে পঞ্চাশ ভাগে হলো তা বিলীন,
শিক্ষা ভাতা নেই আমাদের ছেলেমেয়ের জন্যে
শিক্ষার খরচ জুগাতে তাই দৌড়াই হয়ে হন্যে।
সারা বছর স্কুল পড়িয়েও পাই না শ্রান্তি ভাতা
এক ঘেয়েমি সইতে সইতে ঘুরিয়ে যায় মাথা,
শিক্ষকগণের দুঃখগাথার রাখেন না কেউ খোঁজ
ত্রুটি ধরতে হাজার চক্ষু ঘুরে বেড়ায় রোজ।
বেসরকারি শিক্ষকগণে এবার করলো পণ
আজিজি স্যারের নির্দেশনায় লড়বে আমরণ,
তিলে তিলে মরার চেয়ে লড়েই মরা ভালো
মৃত্যু যদি ক্ষমা করে, দেখবো জয়ের আলো।
শিক্ষকগণের ন্যায্য দাবি পূরণ করা হোক
বেঁচে থাকবেন শিক্ষকেরা,জিতবে দেশের লোক।




