মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুরের দুটি কেন্দ্রে ভোট বিরোধী দুস্কুতিকারিদের হামলা, ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরণ, সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারকে মারপিট ও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এসআই বাবুল আক্তার বাদি হয়ে সোমবার রাতে ৩ শতাধিক ব্যক্তির নামে ওই মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার পর গ্রেফতার আতংকে ৪ গ্রামের পুরুষেরা আত্মগোপন করেছে। ফলে পুরুষ শুণ্য হয়ে পড়েছে উপজেলার রাহাতপুর, রাজপাট, রাজাপুর ও নিত্যানন্দপুর গ্রাম। সরিয়ে ফেলেছে গরু-ছাগলসহ বাড়ির আসবরপত্র।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন রবিবার বিকেলে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাহাতপুর ও নিত্যানন্দপুর কেন্দ্রে ভোট বিরোধীরা আকস্মাৎ হামলা ও ভাংচুর চালায়। এ সময় তারা ৩টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে ২ আনসার সদস্য আহত হয়। ৮টির মধ্যে ৪টি ব্যালট ভেঙ্গে তছনছ করে। ভোট বিরোধীরা নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি নছিমন ও ভোট কেন্দ্র ভাংচুর চালায়। ঘটনার পর র্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইটি কেন্দ্রেই ভোট গ্রহণ স্থগিত করে দেয়।
এ ঘটনায় ৩ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মহম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। চার গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে পলিশ হানা দিলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশের ভয়ে গ্রাম গুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আসামি না পেয়ে কয়েকটি বাড়িতে পুলিশ ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাজাপুর গ্রামের আব্দুর রহমান মোল্যা অভিযোগ করেছেন, সোমবার রাতে পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে কাউকে না পেয়ে আসবরপত্র ভাংচুর করেছে। রাজাপুর পুলিশ ক্যাম্পর ইনচার্জ এসআই গৌতম ঠাকুর এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, আসামি গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। তবে সবাই পলাতক থাকায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।




