স্টাফ রিপোর্টার : লাগাতার অবরোধ-হরতালের মাধ্যমে প্রতিরোধের ডাক দেওয়ার পরও শেরপুরে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি বিরোধী দলবিহীন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। যে কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া জেলার ৩টি আসনেই শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতার বাইরেও সেনাবাহিনী, র্যাব ও বিজিবি মাঠে থাকায় এবং নির্বাচনের পক্ষের লোকজনের সজাগ ও সতর্ক ভুমিকার কারণে ২/১ টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো নাশকতার ঘটনাও ঘটেনি। শেরপুর-১ (সদর) আসনের ১শ ৪০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১টি এবং শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ১শ ১৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১টি কেন্দ্র ছাড়া বাকী সব কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা অর্থ্যাৎ শেরপুর-১ (সদর) আসনে আতিউর রহমান আতিক এমপি, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে কৃষি, মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও শেরপুর-৩ আসনে প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক চাঁন বিজয়ের পথে। তারা স্ব-স্ব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের চেয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে এগিয়ে রয়েছেন।
এদিকে শেরপুর-১ আসনে জাসদ প্রার্থী মনিরুল ইসলাম লিটন, শেরপুর-২ আসনে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কৃষক লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান ফোরামের মহাসচিব কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা ও শেরপুর-৩ আসনে জাপা প্রার্থী খোরশেদ আলম ফর্সা দুপুরের পর পরই প্রশাসনিক হস্তক্ষেপসহ দলীয় প্রভাব বিস্তার, কেন্দ্র দখল ও কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ব্যালট নিয়ে সিল মেরে বাক্স ভর্তির অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন।




