এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারী-১ ও ৩ আসনের ২৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৩টি ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহিৃত করেছে প্রশাসন। এর মধ্যে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা- কিশোরীগঞ্জের অংশ) আসনে মোট ১০৭টির মধ্যে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ ও নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১৩৭টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫৯টি। নীলফামারী-১ আসনের ৫৯টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে ডোমার উপজেলায় ২৪টি ও ডিমলা উপজেলায় ৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। অপরদিকে নীলফামারী- ৩ আসনে ৭৪টি ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে জলঢাকা উপজেলায় ৬০টি ও কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ১৪টি ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন বলেছেন, নীলফামারী-৩ আসনের মধ্যে জলঢাকা উপজেলায় বেশ কয়েকবার সংঘটিত জামায়াত- শিবিরের নাশকতার কারণে এই উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৮৩টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টিকে ঝুকিপূর্ণ এবং কিশোরীগঞ্জ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ২৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৪টি কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে নীলফামারী-১ আসনের ডিমলা উপজেলায় জামায়াত- বিএনপির নাশকতার আশংকা ও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র দুর্গম এলাকায় হওয়ায় এই উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মোট ৭৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৫টি ও ডোমার উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৬৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৪টি কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ৫ জানুয়ারির অনুষ্ঠিতব্য দশম সংসদ নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন এবং কেন্দ্রে ভোটাররা যাতে কোন শংকায় না ভোগে সেই জন্য এসকল কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।




