সাম্প্রতিক বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ঘরহারা ১৮টি পরিবারকে গৃহনির্মাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব। ১৮ নভেম্বর সোমবার দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার বনকুড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১টি আদিবাসী পরিবারসহ ক্ষতিগ্রস্ত ১৫টি পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, সিমেন্টের খুঁটি, টুই সহ নতুন ঘর নির্মাণের বিভিন্ন উপকরণ এবং উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

এর আগে ১৩ নবেম্বর বুধবার ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ চত্বরে ওই উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত ৩টি পরিবারের মাঝে গৃহনির্মাণ ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের ওই গৃহনির্মাণ সহায়তা প্রদানে সহভাগী হয়েছে ব্যাচ-৭১ মতিঝিল সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিতরণ কাজ উদ্বোধন করেন ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল।
সোমবারের বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নালিতাবাড়ী ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের (টিডব্লিওএ) সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক হিরন চন্দ্র বর্মণ ও সিনিয়র সাংবাদিক এক.এ. হাকাম হীরা। এসময় জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উপদেষ্টা শরিফুর রহমান, উপদেষ্টা দেবদাস চন্দ বাবু, সমন্বয়ক হাকিম বাবুল, আদিবাসী নেতা কেয়া নকরেক, সুমন্ত বর্মন, সাংবাদিক এম. সুরুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, উজ্জলসহ স্থানীয় শিক্ষক, সংগঠক ও সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নালিতাবাড়ীর খলিশাকুড়া, আন্ধারুপাড়া ও সিধুলি এবং ঝিনাইগাতীর বারোয়ামারি, দুধনই এবং বৈরাগীপাড়া এলাকার এসব উপকারভোগী প্রতিটি পরিবারকে ১২ হাত থেকে ১৬ হাত দোচালা বসতঘর তোলার জন্য প্রয়োজনীয় গৃহনির্মাণ সামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের শাড়ী-লুঙ্গি, জামাকাপড়, চকোলেট, বিস্কুট সহ বিভিন্ন উপহার প্রদান করা হয়। মাটির দালানের বসতঘর বিধ্বত হওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মানুষজন গৃহনির্মাণ সামগ্রী পেয়ে দারুণ খুশী। তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সদস্য এবং দাতাদের প্রতি। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সুধীবৃন্দ প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু এবং যারা এমন সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।




