শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আমদানি নিষিদ্ধ ১৩৮ বোতল ভারতীয় মদসহ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২৪ এপ্রিল বুধবার রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকার নওকুচি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ইয়াকুব উপজেলার রাংটিয়া গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিনের ছেলে। সে দীর্ঘদিন যাবত গজনী অবকাশ, ছোট গজনী, নকশি, রাংটিয়া, সন্ধ্যাকুড়া, নওকুচিসহ বিভিন্ন পাহাড়ি গ্রাম গুলোতো অবস্থান করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে ফাঁকি দিয়ে রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবি পুলিশের এসআই শফিকুর রহমান সজীব ও এসআই মতিউর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী নওকুচি এলাকার রাজু মিয়ার বাড়ির সামনে মহিলা মার্কেট হতে খেলার মাঠগামী কাঁচা রাস্তায় অভিযান পরিচালনা করেন। ওইসময় মাদক ক্রয়-বিক্রয়কালে ইয়াকুব আলীকে আটক করে পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১৩৮ বোতল ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মদের আনুমানিক মূল্য ৬ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।
এদিকে ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াকুব আলীর সহযোগী ডাকাবর গ্রামের কালাচাঁন মিয়ার ছেলে জুয়েল পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ডিবির এসআই শফিকুর রহমান সজীব বাদী পরদিন বৃহস্পতিবার বিশেষ ক্ষমতা আইনে ঝিনাইগাতী থানায় ২ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এসআই শফিকুর রহমান সজীব জানান, দীর্ঘদিন থেকেই সীমান্ত এলাকাগুলোতে ইয়াকুব আলী ও জুয়েল রানা মাদক ব্যবসা করে আসছিল। তারা আমাদের নজরদারিতে ছিল। তারা পার্শ্ববর্তী ভারত থেকে চোরাই পথে মাদক এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে থাকে।
এ ব্যাপারে শেরপুর ডিবির পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগমের নির্দেশে ডিবি পুলিশ জেলায় মাদক নির্মূলে তংপর রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ডিবির একাধিক টিম কাজ করছে। মাদকের সাথে কোন আপোষ নেই।গ্রেফতারকৃত ইয়াকুব আলীকে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার সহযোগী জুয়েল রানাকে ধরতে ডিবির একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।




