ads

শনিবার , ৩০ মার্চ ২০২৪ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে কোচদের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
মার্চ ৩০, ২০২৪ ৯:০২ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের রাংটিয়া গ্রামে কোচ সম্প্রদায়ের কালীমন্দিরের জায়গায় জোর করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন কোচ নেতারা। প্রতিকারের আশায় জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কাছে আবেদন করেছেন তারা। একই জায়গায় শুক্রবার স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেট নির্মাণ করার উদ্যোগ নিলে বিক্ষোভ করেন কোচ সম্প্রদায়ের লোকজন। এক পর্যায়ে টয়লেট নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়।

Shamol Bangla Ads

স্থানীয় কোচদের প্রতিনিধি জেলা কোচ আদিবাসী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মিঠুন কোচ জানান, এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় এক নারী মন্দিরের জায়গা দখল করার জন্য সেখানে চা ও মনিহারি দোকান স্থাপন করেন। বিষয়টি প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো হয়। কিন্তু কোনো সুরাহা না পেয়ে সংসদ সদস্যকে জানানো হয়। তিনি আশ্বস্ত করার পর স্বস্তি ফিরে আসে। কিন্তু শুক্রবার স্থানীয় রাংটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মন্দিরের সামনে টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ নিলে বিক্ষোভ করা হয়।

জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কানু চন্দ্র চন্দ বলেন, বহু বছর ধরে রাংটিয়া কালীমন্দিরে পূজা-অর্চনা হচ্ছে। স্থানীয় ছেলেমেয়েরা মন্দিরের মাঠে খেলাধুলা করে। প্রতিবছর মেলা হয়। এখন পরিকল্পিতভাবে মন্দিরের জায়গা দখলের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, অভিযোগ দেওয়ার পরও নির্বিকার ইউএনও। যদি মন্দিরের এক ইঞ্চি জমি বেহাতের চেষ্টা হয়, তাহলে আমরা মাঠে নামব।

Shamol Bangla Ads

কথা হয় জেলা জনউদ্যোগের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে। তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার স্থান রাংটিয়া কালীমন্দির মাঠ ও মন্দির। কোচ সম্প্রদায়ের মানুষকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করছে একটি গোষ্ঠী। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মন্দিরের জায়গা দখলের পাঁয়তারা হচ্ছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি যাচাই-বাছাই করতে একটু সময় লাগছে। আমরা কাগজপত্র দেখছি। আইনের বাইরে যেতে পারব না। আইন যেভাবে বলে সেভাবে কাজ হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!