শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কসহ সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবিতে ঢাকায় অবস্থিত দেশটির দূতাবাসের দিকে গণজাগরণ মঞ্চের মিছিলে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। সরকারকে বেঁধে দেয়া ২০ ঘণ্টার আলটিমেটাম পার হওয়ার পর ১৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে মঞ্চের কর্মীরা পাকিস্তান দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হলে গুলশান-২ নম্বর এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। ওই সময় অন্তত: ১৫জনকে আটক করে পুলিশ। এদিকে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে পিটিয়ে আহত করেছে পুলিশ। তাকে গুলশান ল্যাব এইড হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র নেয়া হয়েছে। আবুল কালাম আজাদ (বীর বিক্রম) নামে আরেকজনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। একসময় গণজাগরণের কর্মী শাম্মি আক্তার, শেখ সালমা, প্রয়াত হুমায়ুন আজাদের ছেলে অনন্য আজাদ, রওশন আরা মিতা ও জাহাঙ্গীরকে আটক করে পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
এসময় ইমরান এইচ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ, আমাদের ১৫ জন কর্মীকে আটক করা হয়েছে। নারী কর্মীদের পুরুষ পুলিশ আটক করেছে এটা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। একটি গণতান্ত্রিক দেশের জনগণের আন্দোলনে পুলিশ বাধা দিতে পারে না। এরপরও আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।
তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ গণজাগরণের অনেক কর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে। অনেককে বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়েছে।
হাইকমিশন ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নেয়া সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য তারানা হালিম সাংবাদিকদের জানান, আমার ধারণা করছি সরকার এটা করেনি। কোন পুলিশ অফিসার এটা করেছে, কার নির্দেশে এটা করা হয়েছে তাদের খুঁজে বের করতে হবে।
তবে এ ব্যাপারে এডিশনাল ডিআইজি শাহাবুদ্দিন বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সিস্টেমেটিক্যালি তাদের সরিয়ে দিয়েছি।




