ads

সোমবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে গৃহহীন কমলার ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারি ঘর

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২ ৮:৫২ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ষাটোর্ধ্ব গৃহহীন অসহায় বিধবা কমলা কোচের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারি ঘর। কমলা কোচ উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা হালচাটি গ্রামের মৃত চর্চারাম কোচের স্ত্রী।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, সহায়-সম্বল বলতে কিছুই নেই কমলা রানী কোচের। গত প্রায় ২৫ বছর পুর্বে দিনমজুর স্বামী চর্চারাম কোচের মৃত্যু হয়। স্বামী চর্চারাম কোচ মৃত্যুবরনের পর শুরু হয় কমলা রানী কোচের দুঃখ দুর্দশা। ২ শিশু ছেলেসহ তার জীবিকার তাগিদে কমলা রানী কোচ বেছে নেন দিনমজুরির কাজ।

স্বামীর ভিটে মাটি না থাকায় অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিনমজুরি করে তার দুই ছেলেকে লালন-পালন করে বড় করেছেন কমলা রানী কোচ । ২ ছেলে বিবাহ করে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে আলাদা। তাদের সংসারের বোঝা বহন করতেই হিমশিম খেতে হয়। বয়সের ভারে ন্যুইয়ে পড়েছেন কমলা রানীর কোচ। হাঁটা-চলাও করতে পারেন না তিনি। ফলে অতিকষ্টে অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন তিনি। ছোট ছেলে মঙ্গল কোচ মাঝে-মধ্যে কিছু খাবার দেয়। তবে বেশিরভাগ সময় প্রতিবেশিরাই তাকে দেখেন বলে জানান কমলা রানী কোচ। থাকার বসতঘর না থাকায় গ্রামবাসীরা মিলে ৪ ফর্দ ঢেউ টিন দিয়ে বনের জমিতে একটি চালা ঘর বেঁধে দেন তাকে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঘরটি এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি এলে ঘরের একপাশ থেকে অন্যপাশে পানি গড়ে পরে। মাটিতে শুয়ে ঘুমাতে হয় তাকে। ঘরে নেই থাকার কোন বিছানা। খঁড় বিছিয়ে একটি ছিড়া কাঁথা মুড়িয়ে বসবাস করেন তিনি।

Shamol Bangla Ads

গ্রামবাসীরা জানান, গত ২ বছর পুর্বে বিধবা ভাতার কার্ড হয়েছে তার নামে। ৩ মাস পরপর ১৫শ টাকা ভাতা পান তিনি। তবে ওই টাকায় তার চিকিৎসার ব্যয়ভার মেটানো ও সম্ভব হয় না। জীবিকা নির্বাহ করবেন কি দিয়ে? কমলা রানী কোচ জানান, গত ১০ বছরে একটি সরকারি ঘর চেয়ে কাংশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ জনপ্রতিনিধিদের কাছে বহুবার আবেদন নিবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোন কাজে আসেনি। কমলা রানী কোচ আক্ষেপের সুরে বলেন, মারা যাওয়ার পূর্বে তার ভাগ্যে একটি সরকারি ঘর জুটবে কি? এ ব্যাপারে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কাংশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান বলেন, তিনি সবেমাত্র দায়িত্ব গ্রহন করেছেন। বরাদ্দ পাওয়া গেলে কমলা রানী কোচের ঘরের বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ বলেন, বিষয়টি আমি অবহিত হয়েছি। যেহেতু তার জমি নেই সেহেতু বিবেচনায় এনে সামনে বরাদ্দ পাওয়া গেলে তাকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!