নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি বার্ষিক পরীক্ষার খাতা পোড়ানোর ঘটনায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহল। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ২৫ নভেম্বর সোমবার চলতি বার্ষিক পরীক্ষার দিনে অনুষ্ঠিত ইংরেজী ২য় পত্র পরীক্ষার শেষ সময়ের দিকে নবম শ্রেণীর ছাত্র রবিউল শ্রেণী কক্ষে উচ্চ কন্ঠে কথা বললে, তার খাতা জব্দ করে নেয় ঐ শ্রেণী কক্ষের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক রায়হান। পরবর্তী কিছু সময় অতিবাহিত হলে রবিউল তার খাতা ফেরত চাইলে সহকারী শিক্ষক রায়হান তার ওপর উত্তেজিত ও ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গাল মন্দ করে ও তার পরীক্ষা খাতা ছিড়ে ফেলে এবং পরবর্তীতে খাতাটি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। বিষয়টি জানা জানি হলে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। বিষয়টি নিয়ে এখন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরীক্ষার খাতা পোড়ানো অবৈধ ও নিয়ম বর্হিভুত কাজেই হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে বিদ্যালয়ের অন্যন্য শিক্ষার্থীরা।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে, নাম প্রকাশ না করা শর্র্তে একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায়, সহকারী শিক্ষক রায়হান নিয়মিত শ্রেণীকক্ষে পাঠদান করেন না বরং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের আইন উপক্ষো করে টিউশানি ব্যবসায় সে ব্যস্ত থাকেন এতে সব সময় তার ম্যাজাজ ক্ষিপ্ত থাকে। একাধিক বার তার বিষয়ে অভিযোগ প্রধান শিক্ষক বরাবর গেলেও তার কোন সুব্যবস্থা প্রধান শিক্ষক করেন নাই।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ঘটনাটি সত্যি দুঃখ জনক। আমরা এবিষয়ে ছাত্রের অভিভাবককে ডেকে বিষয়টি মিমাংশা করেছি।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রবীর এর সাথে কথা বললে ঘটনার সত্যতা ¯ী^কার করে তিনি বলেন, অতিদ্রæত বিষয়টি নিয়ে বসবো এবং সুষ্ঠ সমাধান করব।
ঘটনাটির সাত দিন অতিবাহিত হলেও এবিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বলে জানা যায়।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তারিকুল আলম জানান, বিষয়টি আমার জানা নাই এবং এপর্যন্ত কোন পক্ষই আমাকে বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে অবহিত করেন নাই।




