ads

বৃহস্পতিবার , ২ জুলাই ২০২০ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নভেম্বরেই দৃশ্যমান হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ২, ২০২০ ১:৪৫ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : আগামী নভেম্বরের মধ্যেই দৃশ্যমান হচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। সেতুর সার্বিক উন্নয়ন কাজ জুন মাস পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ। আর নদী শাসনের কাজ শেষ হয়েছে ৭৩ শতাংশ। একই সঙ্গে মূল সেতুর উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে ৮৯ শতাংশ। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ওইসব তথ্য জানিয়েছেন।
গত ১০ জুন ৩১তম স্প্যান স্থাপনের ২০ দিন পর গত মঙ্গলবার বসানোর কথা ছিল পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যানটি। মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর এটি বসানোর সব প্রস্তুতিও ছিল। তবে নদীর তীব্র স্রোতের কারণে এটি নির্ধারিত সময়ে বসানো সম্ভব হয়নি। তবে স্প্যান না বসানো হলেও সেতুর মূল উন্নয়নে এটি কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

Shamol Bangla Ads

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, ‘জুলাই ও আগস্টে নদীর স্রোত আরও বাড়তে পারে। আর না বাড়লেও যে স্রোত রয়েছে এমনটি থাকলেও স্প্যান বসানো সম্ভব হবে না। তবে স্প্যান বসানো না গেলেও পদ্মা সেতুর উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত হবে না। অন্যান্য কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। স্রোত হ্রাস পেলে একই সঙ্গে একাধিক স্প্যান বসানো হবে।’
গত ১০ জুন জাজিরা প্রান্তে ২৫ ও ২৬ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় ৩১তম স্প্যান। জাজিরা প্রান্তের ২০টির মধ্যে ওই স্প্যানটি ছিল শেষতম স্প্যান। এতে বসে যাওয়া ৩১তম স্প্যানের মধ্যে ২৯টি স্প্যান একসঙ্গে যুক্ত হয়।
নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের আরও বলেন, ‘নদীর স্রোত অব্যাহত থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি প্রায় আড়াই মাসে কোনো স্প্যান বসানো সম্ভব হবে না। সাধারণত এই দুই বা আড়াই মাস স্প্যান বসানো যায় না। এটা আমাদের আগে থেকেই কর্ম পরিকল্পনায় ছিল। তবে আগামী নভেম্বরের মধ্যে সবগুলো স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হবে।’
পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ‘চলতি বছর এই সেতুর ১১টি স্প্যান বসানো হয়েছে। এর মধ্যে সারা দেশে সাধারণ ছুটির মধ্যে ২৭ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ৪টি স্প্যান বসানো হয়েছে। আর লকডাউন উঠে যাওয়ার পর ১০ জুনের স্প্যানটিসহ করোনা দুর্যোগের মধ্যেও সেতুর মোট ৫টি স্প্যান বসানো হয়েছে। আমরা আশা করছি যেভাবে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আগামী নভেম্বরের মধ্যেই মূল পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হবে।’
এদিকে, মাওয়া ওয়ার্কশপে আরও ৪ টি স্প্যানের প্রস্তুতিও চলছে দ্রুত গতিতে। তবে বর্ষায় আবহাওয়া শুষ্ক না থাকার কারণে স্প্যানগুলোর রং শুকাতে সময় বেশি লাগছে। এদিকে পদ্মা সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩৯টির মালামাল করোনা মহামারির আগেই এসেছে। বাকি দুটি স্প্যানের অধিকাংশ মালামালও মাওয়ার কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে পৌঁছেছে।
মাওয়া প্রান্তে ৫, ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যান বসেছে আগেই। এই দুই স্প্যানের দু’পাশে বাকি স্প্যানগুলো বসে গেলেই নভেম্বরের মধ্যেই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হবে। চলতি অর্থ বছরে বড় প্রকল্পের মধ্যে সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বরাদ্দ পদ্মা সেতুতে। আগামী বছর জুন মাসে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সূত্র জানায়, আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্প সমাপ্ত করার লক্ষ্য থাকলেও মহামারি করোনার কারণে তা কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। তবে সেতুর অন্যান্য উন্নয়ন কাজের সঙ্গে দ্রুত গতিতে রেলওয়ের স্লাব বসানোর কাজও এগিয়ে চলছে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে দ্বিতল সেতুর ওপর দিয়ে সড়কপথ ও নিচের অংশে থাকবে রেলপথ। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের ‘সিনো হাইড্রো করপোরেশন’।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!