ads

বৃহস্পতিবার , ২১ নভেম্বর ২০১৩ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

হার না মানা প্রতিবন্ধী মাসুদ রানা জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ২১, ২০১৩ ৩:৫২ অপরাহ্ণ

Masud Rana সৈয়দপুর (নীলফামারী) :    দারিদ্রতা, ভয়-ভীতি, লোকলজ্জা, প্রতিবন্ধকতাসহ সকল প্রতিক’লতা জয় করে উদ্ভাসিত আলোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে হার না মানা শারীরিক প্রতিবন্ধী মাসুদ রানা। ২০১০ সালে সে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাস করে। এবার ২০১৩ সালে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মাসুদ রানা। নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী কিশোরীগঞ্জ মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সে পরীক্ষা দিচ্ছে। কোন বাধাই তাকে হার মানাতে পারেনি। জন্ম থেকেই বিকলাঙ্গ এই ছেলেটির দুটি হাত স্বাভাবিক নয়। বিকলাঙ্গ দুই হাত। এই দুই হাতের অংশ ও মুখ দিয়েই কলম ধরে লেখার কাজ দ্রুত চালিয়ে যায় মাসুদ। অন্য কোনোদিকে না তাকিয়ে প্রশ্নের উত্তর লিখে চলেছে। মাঝে মাঝে দাঁড়িয়ে লিখতে হচ্ছে তাকে প্রশ্নের উত্তর। তার এই মনযোগ ও মনোবল সবার দৃষ্টি কেড়েছে। সে ওই এলাকার মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। স্কুলে তার রোল-১। সে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ভাল ফল করেছিল। কিশোরীগঞ্জের মাগুড়া ইউনিয়নের খামাতপাড়া গ্রামের মাসুদ রানার বাবা মাহফুজুর রহমান অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করে সংসার টিকিয়ে রেখেছে কোনো রকমে। মা মায়ালী বেগম ফসলী জমিতে কাজ করেন। এই দম্পতির দুই মেয়ে ১ চেলের মধ্যে মাসুদ রানা দ্বিতীয়। এ পর্যন্ত তার পরীক্ষাগুলো ভালই হয়েছে। হাসিমুখে মাসুদ রনা জানায়, সে ভাল ফলাফল করবে। সে জানায়, তার নাম উপবৃত্তিতে তালিকাভূক্ত করা হলেও সে কোনো আর্থিক সুবিধা পায়নি। এমন কি সমাজসেবা অফিসে ধর্ণা দিয়েও কোনো সুযোগ- সুবিধা ভাগ্যে জোটেনি। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘মাসুদ রানা তার বিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র। শিক্ষাবোর্ডে তার জন্য রাইটার নিয়োগ করার আবেদন করা হলেও মাসুদ রাজি না হয়ে নিজেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং সে মনযোগ সহকারে পরীক্ষা দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি তার পরীক্ষা ভালো হয়েছে। সে সকলের সহযোগিতা পেলে বড় হয়ে উঠবে। জেএসসি পরীক্ষার কিশোরীগঞ্জ কেন্দ্রের সচিব কিশোরীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্রালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম আযম বলেন, ‘আমরা এই প্রতিবন্ধী মাসুদ রানার পরীক্ষার খাতায় সুন্দর হাতের লেখা দেখে অবিভূত হয়ে পড়েছি।’

Need Ads
error: কপি হবে না!