ভাণ্ডারিয়া প্রতিনিধি : পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি বাসস্টান্ডে ১৯ নবেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত ০৭। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি শর্টগান সহ ১৬ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার ও দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী ও ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ইকড়ি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ৭শতাংশ জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান তানভির হোসেন বাবু তালুকদার ও আমেরিকা প্রবাসী ইসমাইল হোসেন আরাফাত’র সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন দুপুরে ঐজমিতে গেলে তাকে লক্ষ্য করে প্রথম গুলি করলে চেয়ারম্যান আত্মরক্ষার জন্য লাফদিয়ে পার্শ্বে থাকা একটি ঘরের পিছনে আশ্রয় নিয়ে অক্ষত অবস্থায় প্রানে বেচেঁ যায়। চেয়ারম্যান গুলি বিদ্ধ হয়েছে এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে চেয়ারম্যান সমর্থকরা ঘটনা স্থলে আসলে তাদের লক্ষকরে এলোপাতারি গুলি ছুড়লে এ সময় ৭জন আহত হয়। আহতরা হলেন স্বপন তালুকদার (২৪), ফিরোজ চৌকিদার(৩৮),আবুল বাসার(৩০),বাবুল খান(২০) সিংহখালী স্কুল এন্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র জুয়েল তালুকদার (২০) ,কামরুল (২৮) ও সোহাগ আকন (২৬) আহত হয় । আহতদের মধ্যে ৪জন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে এবং সোহাগ আকনকে মঠবাড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় ইসমাইল আরাফাতের বাসভবন থেকে তার(ইসমাইল হেসেন’র)লাইসেন্স কৃত ১টি শর্টগান ও ১৭রাউন্ড গুলির মধ্যে তাজা ১৬রাউন্ড ও ১টি মিস ফায়ার গুলি জব্ধ করে এবং ইসমাইল আরাফাত(৪৬)ও তার ভাই মোঃ কাদিম (৩২) দুইজনকে আটক করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ঐএলাকার কয়েকশত বিক্ষুব্ধ জনতা আরাফাত এর বিচারের দাবিতে তার বাস ভবন ঘেরাও করে রাখে খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি মতিউর রহমান সহ পুলিশ ন্যায় বিচারে আশ্বাস দিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে । ইউএনও কাজী মাহবুবুর রশিদ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবস্থা সাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় কতিপয় সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে তাদের হুমকি প্রদান করে ক্যামেরা থেকে ঘটনার ছবি ডিলাইট করে এবং তাদেরকে হুমকি প্রদান করে বলে অভিযোগ করেন ঐ সাংবদিকগণ।




